হোম > জাতীয়

বিইআরসির গণশুনানি: ৫০.৮২ টাকায় ফার্নেস অয়েল চায় পিডিবি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ভারী মেশিনে ব্যবহৃত জ্বালানি ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে ৩৫ টাকা ১৮ পয়সা কমিয়ে ৫০ টাকা ৮২ পয়সা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে এই তেলের প্রধান ভোক্তা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। তবে বিক্রেতা কোম্পানি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দাম অল্প কিছুটা কমিয়ে ৮১ টাকা লিটার করার প্রস্তাব দিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে এ দাবি ও প্রস্তাব ওঠে।

দেশে এবারই প্রথমবারের মতো ফার্নেস অয়েলের যৌক্তিক দাম নির্ধারণে কোনো গণশুনানি হলো। এতে ভোক্তারা ক্ষোভের সঙ্গে অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে পণ্যটি বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। তাঁরা বিপিসির মূল্য-নির্ধারণী ফর্মুলারও সমালোচনা করেন।

শুনানিতে বিইআরসির কারিগরি দল জানায়, প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম বর্তমানের ৮৬ টাকা থেকে ১১ টাকা ৯৬ পয়সা কমিয়ে ৭৪.০৪ টাকা করা যেতে পারে।

তবে বিপিসির মহাব্যবস্থাপক এ টি এম সেলিম দাম এত কমাতে রাজি হননি। তিনি শুনানিতে বলেন, ‘২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে যখন দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব করা হয়, তখন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল ফার্নেস অয়েলের দাম ছিল ৪৭৮ দশমিক ৪৫ ডলার। দামের সূচক ছিল কমতির দিকে। গত ডিসেম্বর মাসে ৩৪০ দশমিক ৯৪ ডলারে পাওয়া গেছে। তখন ৮৫ টাকা প্রস্তাব করলেও ডিউটি, অন্যান্য খরচসহ লিটারপ্রতি দাম ৮১ টাকা করার প্রস্তাব করছি।’

পিডিবির পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা শুনানিতে বলেন, ‘২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৮ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার পরও পিডিবির লোকসান হয়েছে ১৭ হাজার ২১ কোটি টাকা। অথচ পিডিবির কাছে বিপিসি তেল বিক্রি করে সে অর্থবছরে লাভ করেছে ৪ হাজার ৩১৬ কোটি টাকা।’

গত ডিসেম্বরে বেসরকারি কোম্পানিগুলো নিজেরা লিটারপ্রতি মাত্র ৫৭ টাকা দামে আমদানি করেছে জানিয়ে পিডিবি পরিচালক বলেন, বিপিসির কাছ থেকে তাঁদের কিনতে হয়েছে ৮৬ টাকা দরে। তিনি বলেন, ফার্নেস অয়েল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি খরচ হচ্ছে প্রতি ইউনিটে ১৮ দশমিক ৪১ টাকা। আর সে বিদ্যুতের পাইকারি দাম মাত্র ৬ দশমিক ৯৯ টাকা। ফার্নেস অয়েলের লিটার কোনো অবস্থাতেই ৫০ টাকার বেশি হওয়া উচিত নয়।

পিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম বলেন, বিপিসির কাছ থেকে ফার্নেস অয়েল কিনতে গেলে আমদানির তুলনায় অনেক বেশি খরচ পড়ছে। এ কারণে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দাম সমন্বয় করে জনগণকে স্বস্তি দেওয়া উচিত।

গণশুনানির বিষয়ে কারও কোনো মতামত থাকলে লিখিত আকারে জমা দেওয়ার জন্য ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে বিইআরসি। কমিশনের সদস্য মো. আব্দুর রাজ্জাক, মো. মিজানুর রহমান, সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহিদ সারওয়ার গণশুনানিতে অংশ নেন।

জ্বালানি সংকট: সকাল ৬টায় লাইনে, ১০টায় তেল শেষ, সন্ধ্যা ৬টার জন্য অপেক্ষা

চার বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা

ফিরল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, থাকবে সরকারি ছুটি

দুই দপ্তরে নতুন সচিব

৪১৯ হজযাত্রীবাহী প্রথম ফ্লাইট সৌদি যাচ্ছে শুক্রবার রাত ১২টা ২০ মিনিটে

দুই শিবির নেতাকে গুলি: অভিযোগ গঠনের আদেশ ২০ এপ্রিল

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সাক্ষাৎ

ভঙ্গুর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে: প্রধানমন্ত্রী

সংসদের সাউন্ড সিস্টেমে বিভ্রাট, দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সিইও

খালেদা জিয়ার স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা