হোম > জীবনধারা > রূপবটিকা

প্রাকৃতিকভাবে মুখ পরিষ্কার রাখার ৫ টিপস

ফিচার ডেস্ক, ঢাকা 

ত্বক পরিষ্কার না থাকলে ব্রণ, হোয়াইট হেডস, ব্ল্যাকহেডস, ত্বকের অসমান রং এবং অমসৃণ গঠনের মতো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। ছবি: পেক্সেলস

ত্বক পরিষ্কার ও সুস্থ রাখতে দিনে অন্তত দুবার মুখ পরিষ্কার করা জরুরি। ধরন অনুযায়ী ত্বক পরিচ্ছন্ন করতে বিভিন্ন ধরনের পরিষ্কারক পাওয়া যায়। কেউ কেউ আবার এসবে ভরসা না করে ঘরোয়া উপায়ে প্রাকৃতিকভাবে ত্বক পরিষ্কারের পক্ষপাতী। কিন্তু মোদ্দাকথা ওই একটিই—সঠিক নিয়মে রোজ দুবার মুখ ধুতে হবে। কেন এই নিয়ম মানা চাই, তা আগে জেনে নেওয়া যাক।

নিয়মিত মুখ ধোয়ার কারণে যেসব উপকার পাওয়া যায়

ত্বকে জমে থাকা ময়লা দূর হয়

ধুলোবালি, অতিরিক্ত তেল, মরা কোষ এবং অন্যান্য অবাঞ্ছিত ময়লা ত্বকে জমতে দেওয়া উচিত নয়। প্রতিদিন গোসল ছাড়া দিনের প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগে মুখ ধুলে এই জমে থাকা ময়লা দূর হয়, ফলে ত্বক সতেজ দেখায়। পরিষ্কার না থাকলে এই ময়লা ত্বকে জমা হতে থাকে; যা ব্রণ, হোয়াইট হেডস, ব্ল্যাকহেডস, ত্বকের অসমান রং এবং অমসৃণ গঠনের মতো বিভিন্ন সমস্যার কারণ হয়। এ ছাড়া এই জমে থাকা ময়লা ত্বকের যত্নের বিভিন্ন উপাদানকে ত্বকের গভীরে সঠিকভাবে প্রবেশে বাধা দেয়।

আর্দ্রতা বৃদ্ধি

নিয়মিত মুখ পরিষ্কার এবং ময়শ্চারাইজিং ত্বকের পর্যাপ্ত আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। পানিশূন্য ত্বক নিস্তেজ, কোঁচকানো, বয়স্ক দেখায় এবং রুক্ষ অনুভূত হয়। মুখ পরিষ্কার রাখলে পিএইচ ভারসাম্য বজায় থাকে। এটি ত্বক স্বাস্থ্যকর ও কোমল রাখতে সহায়ক। আর্দ্রতা ত্বকের পিগমেন্টেশন কমায় এবং বার্ধক্যের প্রক্রিয়া ধীর করে।

মুখ পরিষ্কারের টিপসগুলো

পেঁপে, কলা, লেবু, মধু ও বেসনের মাস্ক প্রাকৃতিকভাবে ত্বক উজ্জ্বল ও পরিষ্কার করে এবং ত্বকে পুষ্টি জোগায়। ছবি: পেক্সেলস

কিছু ঘরোয়া উপকরণ ত্বক গভীরভাবে পরিষ্কার করতে সাহায্য করতে পারে। যাঁরা সাবান বা ফেসওয়াশের বিকল্প খুঁজছেন, তাঁরা একবার চোখ বুলিয়ে নিন।

নারকেল তেল

এটি প্রাকৃতিক মেকআপ রিমুভার এবং ক্লিনজার, যা প্রতিদিন মুখে ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে লরিক অ্যাসিড এবং ময়শ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্য রয়েছে। মেকআপ, ময়লা এবং অতিরিক্ত তেল দূর করতে তুলার বল ব্যবহার করে নারকেল তেল ত্বকে লাগানো যেতে পারে। কিছুক্ষণ এই তেল মুখে রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এরপর অন্যান্য ঘরোয়া ক্লিনজার বা কেনা ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন।

ওটমিল ফেশিয়াল ক্লিনজার

ওটমিল কার্যকরভাবে ত্বক পরিষ্কার এবং এক্সফোলিয়েট করে। এটি ভিটামিন ই সমৃদ্ধ। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলো ত্বকে পুষ্টি জোগাতে এবং ত্বকের গঠন উন্নত করতে সাহায্য করে। এক টেবিল চামচ ওটমিল টক দই বা মধুর সঙ্গে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণ মুখে ও ঘাড়ে লাগিয়ে আলতো করে স্ক্রাব করে ধুয়ে ফেলুন।

দুধ, লেবু ও বেসনের ক্লিনজার

দুধে ল্যাকটিক অ্যাসিড থাকে, যা ত্বকের মরা কোষ ও ময়লা দূর করে এবং পিগমেন্টেশন কমায়। দুধের প্রোটিন ও চর্বি ত্বকে হাইড্রেট করে এবং টানটান করে তোলে। দুধ, অর্ধেক লেবু এবং বেসন একসঙ্গে মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করে মুখে, গলায় ও ঘাড়ে লাগানো যেতে পারে। ৫ মিনিট পর মিশ্রণটি ধুয়ে ত্বকে ময়শ্চারাইজার লাগান। ত্বক উজ্জ্বল দেখাবে।

পেঁপে, কলা, লেবু, মধু ও বেসনের মাস্ক

এই উপাদানগুলোতে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ রয়েছে, যা প্রাকৃতিকভাবে ত্বক উজ্জ্বল ও পরিষ্কার করে এবং ত্বকে পুষ্টি জোগায়। এগুলো পিষে একটি পেস্ট তৈরি করে পুরো মুখে লাগিয়ে এবং ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

শসা ও টমেটোর ক্লিনজার

টমেটো ত্বক থেকে ময়লা দূর করতে, পিগমেন্টেশন কমাতে এবং সূর্যের কারণে হওয়া ক্ষতি পূরণ করতে পারে। অন্যদিকে শসা ত্বক শীতল করে, প্রদাহ কমায় এবং অতিরিক্ত তেল দূর করে। সমপরিমাণ শসা এবং টমেটো ব্লেন্ড করে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করা যেতে পারে, যা মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে সতেজ ত্বক পাওয়া যায়।

সূত্র: মেডিসিন নেট ও অন্যান্য

২৫ বৈশাখ রবীন্দ্রজয়ন্তী: ঠাকুরবাড়ির রূপচর্চা

শুষ্ক ত্বকে ময়শ্চারাইজার যুক্ত বডি ওয়াশ ব্যবহার করুন

রান্নাঘরে থাকা উপকরণে প্রতিদিনের রূপচর্চার উপায় জেনে নিন

এই গ্রীষ্মে অ্যালোভেরা জেল নিয়মিত ব্যবহার করুন

গরমে ত্বক সমস্যার সমাধানে কাঁচা দুধ ব্যবহার করুন

কিয়ারা আদভানির ত্বক কেন এত উজ্জ্বল? কারণ জেনে নিন

অফিসের বাতাস আপনার সৌন্দর্য নষ্ট করছে না তো?

গরমে সঠিক লিপস্টিক বেছে নেবেন যেভাবে

খুশকির জন্য প্রফেশনাল ট্রিটমেন্ট নেওয়া জরুরি

পয়লা বৈশাখের তপ্ত রোদ আর ঘাম সইতে আপনার ত্বক তৈরি তো?