অক্টোবর মাসের ৩১ তারিখে পশ্চিমা দেশগুলোয় পালিত হয় হ্যালোইন। হ্যালোইন হলো পূর্বপুরুষদের আত্মার মুক্তির জন্য প্রার্থনার দিন। হ্যালোইনে সাধারণত মিষ্টিজাতীয় খাবার, কুমড়া ও আপেল দিয়ে তৈরি বিভিন্ন পদ এবং ঐতিহ্যবাহী কিছু বিশেষ খাবার খাওয়া হয়। আর দুই দিন বাদেই হ্যালোইন; বাড়িতে ছোটরা যদি ঘরেই এই উৎসব পালনে মেতে উঠতে চায়—তাহলে খাওয়াদাওয়ার আয়োজন তো করতেই হবে। বাড়িতেই তৈরি করে ফেলুন হ্যালোইনের জনপ্রিয় খাবার ক্যারামেল আপেল।
বড় সবুজ আপেল ৮টি, সাসলিকের কাঠি ৮টি, ব্রাউন সুগার ২ কাপ, কনডেন্সড মিল্ক ১ কৌটো, কর্ন সিরাপ ১ কাপ, মাখন ১ কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স ২ চা-চামচ।
একটি বড় সসপ্যানে পানি ফুটিয়ে নিন। আপেলগুলো কয়েক সেকেন্ডের জন্য ফোটানো পানিতে ডুবিয়ে তুলে ফেলুন। এতে আপেলের গায়ে থাকা মোমের প্রলেপ উঠে যাবে। পেপার টাওয়েল দিয়ে আপেলের গায়ে লেগে থাকা পানি শুকিয়ে নিন। এবার প্রতিটি আপেলের নিচের শাঁসের মধ্যে সাসলিকের কাঠি ঢুকিয়ে দিন।
চুলায় মাঝারি আঁচে একটি মাঝারি সসপ্যানে ব্রাউন সুগার, কনডেন্সড মিল্ক, কর্ন সিরাপ এবং মাখন একসঙ্গে মিশিয়ে নাড়ুন। ক্রমাগত নাড়তে নাড়তে ফুটিয়ে নিন; আঁচ কমিয়ে দিন। পুড়ে যাওয়া রোধ করতে ক্রমাগত নাড়তে নাড়তে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট রান্না করুন। এক গ্লাস ঠান্ডা জলে এক চা-চামচ ক্যারামেল ফেললে তা যদি একটি শক্ত বলের মতো আকার নেয়, তাহলে আঁচ থেকে নামিয়ে নিন; ভ্যানিলা এসেন্স মিশিয়ে দিন।
এখন দ্রুত প্রতিটি আপেল ক্যারামেলের মিশ্রণে ডুবিয়ে দিন, যাতে আপেলটি এবং সাসলিকের কাঠির প্রায় ১/২ ইঞ্চি অংশ সম্পূর্ণভাবে আবৃত হয়। একটি বেকিং ট্রেতে পার্চমেন্ট পেপার বিছিয়ে দিন। এর ওপর ক্যারামেলে ডোবানো আপেলগুলো রাখুন। আপেলগুলো গরম থাকা অবস্থায় সেগুলোর ওপর আপনার পছন্দের টপিং ছড়িয়ে দিন। এবার এক ঘণ্টা সময় দিন ঠান্ডা হওয়ার। এরপর ফ্রিজে এক ঘণ্টা রাখুন। তারপর চেখে দেখুন।