হোম > জীবনধারা > জেনে নিন

হেমন্তে বারান্দা ও ছাদবাগানে গাছের যত্ন যেভাবে নেবেন

ফিচার ডেস্ক

হেমন্তে গাছে পানি দেওয়ার সময় গাছের পাতায় জমা ধুলোর আস্তরণও ধুয়ে দিতে হবে। ছবি: পেক্সেলস

শীত আসি আসি করছে। এই সময়টায় শুষ্ক আবহাওয়া ও ধুলাবালুর প্রভাবে প্রকৃতি হয়ে পড়ে নির্জীব। ছাদ বা বারান্দায় গড়ে তোলা ছোট্ট বাগানে চোখ রাখলেই ব্যাপারটা সহজে টের পাবেন। এখন থেকে পুরো শীতকাল, গাছ সজীব ও সতেজ রাখতে নিতে হয় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। যেকোনো বাগানের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনটি প্রধান উপকরণ হলো পানি, মাটি ও সূর্যের আলো। আবার ঠান্ডা বাতাসের কারণে গাছে বেশি পানি দেওয়াটাও ঝুঁকিপূর্ণ। এতে গাছের গোড়া পচে যায়। আবার শুধু সূর্যের আলো ও পানিই যে গাছের একমাত্র খাবার, তা নয়। গাছ সুস্থ-সবল রাখতে নানা রকম পুষ্টিরও জোগান দেওয়া চাই। হেমন্তে তাই গাছে প্রয়োজন বাড়তি যত্নের।

হেমন্তে গাছে পানি দেওয়ার সময় গাছের পাতায় জমা ধুলোর আস্তরণও ধুয়ে দিতে হবে। ছবি: পেক্সেলস

যেভাবে যত্ন নেবেন

পুষ্টির জোগান থাকা চাই

হেমন্তে গাছে পানি দেওয়ার সময় গাছের পাতায় জমা ধুলোর আস্তরণও ধুয়ে দিতে হবে। ইনডোর গাছগুলোর পাতাগুলো মুছে দিতে হবে ভেজা কাপড় দিয়ে। ঠান্ডা মৌসুমে কিছুদিন পরপর দেখা যায়, গাছের পাতা একটি-দুটি করে হলদে হয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে। এসব শুকিয়ে যাওয়া ঝরা পাতা গাছের গোড়া থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে। এতে গাছটি দেখতেও সুন্দর লাগবে আর গাছও পাবে যত্নের ছোঁয়া। এ সময় গাছের পুষ্টি হিসেবে মাটিতে দেওয়া যেতে পারে ভার্মি কম্পোস্ট, জৈব সার, খৈল। এ ছাড়া বাড়িতেই কলার খোসা, পেঁয়াজ-রসুনের খোসা, লেবুর খোসা, ডিমের খোসা, সবজির খোসা টানা কয়েক দিন পচিয়ে সার বানিয়ে গাছের মাটিতে দিতে পারেন। সহজ পদ্ধতি হিসেবে ডিমের খোসা শুকিয়ে গুঁড়া করে গাছের গোড়ায় ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো গাছের জন্য অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার।

পরিমিত পানি দিন

হেমন্তে গাছে খুব বেশি পানি দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। কারণ, প্রকৃতিতে শীত বা ঠান্ডা থাকায় রাতের দিকে কুয়াশায় গাছ ও গাছের গোড়া ভেজা থাকে, তাই দিনে একবার পানি দেওয়াই ভালো। এ মৌসুমে টবের মাটি শুকনো পাতা, নারকেলের আঁশ, খড়কুটো দিয়ে ঢেকে দিলে সহজে গাছের গোড়ার মাটি আর্দ্রতা হারাবে না। কোনো কোনো গাছ অতিরিক্ত ঠান্ডায় মরে যায়। সেই সব গাছ ঘরে এনে রাখলে ভালো থাকবে। খেয়াল রাখতে হবে, গাছের গোড়ায় যেন পানি না জমে। গাছের টব পরিবর্তনের দরকার হলে করে নেওয়া উচিত, সঙ্গে মাটি পরিবর্তন করে নতুন মাটি দিয়ে তাতে প্রয়োজনীয় সার দিয়ে গাছগুলো আবার রোপণ করা উচিত। গাছের মরা ডালপালা শীতের আগেই যথাসম্ভব ছেঁটে নেওয়া উচিত।

নিয়ম করে রোদে দিন

অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ গাছের জন্য ভালো নয়। আর্দ্র পরিবেশে টানা থাকলে গাছ ঠিকঠাক বেড়ে উঠতে পারে না। তাই রোদ উঠলে গাছগুলো রোদে রাখুন।

পোকামাকড় ও ছত্রাক এড়াতে

হেমন্তের পর থেকে গাছে গাছে বিভিন্ন ধরনের ছত্রাক ও পোকা বাসা বাঁধতে পারে। প্রাকৃতিক কিছু টোটকা ব্যবহার করে সেগুলো তাড়াতে পারেন। রসুন, রান্নায় ব্যবহৃত হলুদগুঁড়া, নিমের তেল, ভিনেগার, কমলার খোসাসহ নানান প্রাকৃতিক উপাদানেই মিলবে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে মুক্তি। এ ছাড়া বারান্দা বা ছাদবাগানের গাছে এ ধরনের রোগ প্রতিকারের জন্য কোনো প্রসিদ্ধ নার্সারিতে কর্মরত মালির কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাগান রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচর্যা ও গাছ বিনিময়বিষয়ক বিভিন্ন গ্রুপ রয়েছে। সেখানেও পেয়ে যাবেন গাছ পরিচর্যার নানান টিপস।

সূত্র: ট্রি হাগার ও অন্যান্য

গণপরিবহনে অসৌজন্যমূলক আচরণে কোন দেশে কী শাস্তি, জেনে নিন

আজকের রাশিফল: বেশি জ্ঞান দিতে গিয়ে ফেসবুকে ব্লক খাবেন, কঞ্জুস হিসেবে খ্যাতি মিলবে

রং যেভাবে বদলে দেয় আপনার মেজাজ ও ব্যক্তিত্ব

ধনকুবেরদের তালিকায় এগিয়ে কোন দেশ ও শহর

আজকের রাশিফল: ফেসবুকে অযথা তর্কে জড়াবেন না, অন্যকে জ্ঞান দেওয়া বন্ধ করুন

ছুটির দিনে দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত আপনজনের মুখে হাসি ফোটাবেন যেভাবে

নতুন নিয়মে ‘কিছু কাজ’ চাপাতে পারবেন না এয়ারবিএনবির বাড়ির মালিকেরা

উৎসবের পর শাড়ি আলমারিতে তুলে রাখার আগে যা করবেন

শীত আসি আসি করছে, ত্বকের যত্ন নিন এখন থেকেই

মেঘের সমুদ্র আর আধ্যাত্মিকতার সংযোগস্থলে ভিয়েতনামের ‘বা ডেন’