সাক্ষাৎকার

ইতিবাচক রাজনীতি করতে চাই: রাশেদ খান

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মো. রাশেদ খান। ভোটের আগে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করতে গত ২৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়ছেন ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদর উপজেলার চার ইউনিয়ন) আসন থেকে। তিনি নির্বাচন, রাজনীতি ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মাসুদের সঙ্গে।

আজকের পত্রিকা: ভোটাররা কেন আপনাকে ভোট দেবেন?

মো. রাশেদ খান: ঝিনাইদহ-৪ আসনের মানুষ আসলে ধানের শীষ ভালোবাসে। যাঁকেই ধানের শীষের নমিনেশন দিয়েছে, তিনিই পাস করেছেন। সেই জায়গা থেকে ওই এলাকার মানুষ আসলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া, তারেক রহমানকে ভালোবাসেন, তাঁদের দেখেই রাজনীতি করেন। এখানে আসলে ব্যক্তির থেকে গুরুত্বপূর্ণ তারেক রহমানের নির্দেশনা। তারেক রহমান তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন এবং প্রকৃতপক্ষে আমাকে ভোট দিলে বিজয়ী হবেন তারেক রহমান। আমি আশাবাদী, বিএনপিকে ক্ষমতায় আনার জন্য এলাকাবাসী অবশ্যই ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেবেন।

আজকের পত্রিকা: প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ওপর আপনার শ্রদ্ধা কতটা?

মো. রাশেদ খান: আমি সব সময় সহনশীলতায় বিশ্বাস করি। কাউকে নিয়ে কখনো বিরূপ মন্তব্য করিনি। যেহেতু আমি এলাকার সন্তান, ঝিনাইদহ আমার নিজ জেলা এবং সদর উপজেলায় আমার জন্ম। সদরের একাংশ ও কালীগঞ্জ ইউনিয়ন নিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসন গঠিত। সে ক্ষেত্রে এলাকার সন্তান হিসেবে সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা আমার কর্তব্য ও দায়িত্ব। যাঁরা যে দলেরই হোক না কেন বা প্রার্থী হয়েছেন, আমি সবাইকে শুভকামনা জানাই। আমি ইতিবাচক রাজনীতি করতে চাই এবং পরিবর্তনের রাজনীতি করতে চাই। আমি দৃঢ় আশাবাদী, মানুষ পরিবর্তনের পক্ষেই থাকবে।

আজকের পত্রিকা: ভোটে হেরে গেলে মেনে নেবেন?

মো. রাশেদ খান: হার-জিতের বিষয় নির্ভর করে জনগণের সিদ্ধান্তের ওপরে এবং নেতৃত্ব আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে। আমি এখন পর্যন্ত আশাবাদী, ইনশা আল্লাহ আমি বিজয়ী হব। কারণ, এ ক্ষেত্রে বিএনপির নেতারা আমার সঙ্গে আছেন এবং হাইকমান্ডের নির্দেশনাও রয়েছে দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি। সেখানকার মানুষ সৎ, যোগ্য ও ক্লিন ইমেজ হিসেবে আমাকেই বেছে নেবেন বলে আমি আশাবাদী।

আজকের পত্রিকা: জয়ী হলে এলাকার জন্য কোন বিষয়গুলো অগ্রাধিকার দেবেন?

মো. রাশেদ খান: আমি শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি উন্নয়ন এবং মাদক নির্মূল, দুর্নীতি বন্ধ করা, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, যেহেতু কালীগঞ্জে চিনিকল আছে, এই শিল্পপ্রতিষ্ঠান ঢেলে সাজানো—এই বিষয়গুলোকে আমি বেশি গুরুত্ব দেব।

আজকের পত্রিকা: পরাজিত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা এলাকায় নিরাপদে থাকতে পারবেন?

মো. রাশেদ খান: অবশ্যই পারবেন। যাঁরা বিভিন্ন দল-মতের মানুষ আছেন, তাঁরা সবাই নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন। কোনো সমস্যা হবে না।

আজকের পত্রিকা: সংসদ সদস্য হলে সম্মানী ও বরাদ্দের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করবেন?

মো. রাশেদ খান: আমার সবকিছুই জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে। জনগণের জন্য রাজনীতি, জনগণের সম্প্রীতির জন্য যা যা করার, আমি করব ইনশা আল্লাহ।

ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, প্রতিহিংসা চাই না: ইয়াসের খান চৌধুরী

জিতলে ভোট ভালো, হারলে ভোট খারাপ, এটা না: মো. আসাদুজ্জামান

ভালো গবেষণা যেন দুর্বল ইংরেজিতে নষ্ট না হয়

বাংলাদেশ মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে, ভারতকে বদলাতে হবে: নাহিদ ইসলাম

স্বাস্থ্য উন্নয়নে প্রয়োজন সাহসী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত: বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি

ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট পিআর ক্যারিয়ারের অন্যতম দক্ষতা

ত্যাগ ও সংগ্রাম মূল্যায়ন করে মানুষ ভোট দেবে: সাইফুল আলম নীরব

গণসংযোগকেই আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির রাজনীতি সময়ের দাবি

ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে চাই