হোম > বিশ্ব > ভারত

ব্রিকস বৈঠকে ‘ইরান যুদ্ধ’ নিয়ে মতভেদ, যৌথ বিবৃতি ছাড়াই সমাপ্ত

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। ছবি: সংগৃহীত

ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের দুই দিনের বৈঠক শুক্রবার (১৫ মে) ভারতের দিল্লিতে শেষ হলেও কোনো যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত নিয়ে সদস্যদেশগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠায় আয়োজক ভারত শেষ পর্যন্ত শুধু চেয়ারম্যানের বিবৃতি প্রকাশ করেছে।

বৈঠকে ইরান চেয়েছিল, ব্রিকস জোট যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিক এবং ইরানের ওপর হামলার নিন্দা জানাক। একই সঙ্গে তেহরান অভিযোগ তোলে, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) তাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। যদিও যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান কয়েক দফা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউএইর দিকে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ব্রিকসের একটি সদস্যদেশ যৌথ বিবৃতির কিছু অংশ আটকে দিয়েছে। যদিও তিনি সরাসরি ইউএইর নাম উল্লেখ করেননি। তিনি বলেন, ‘আমরা ওই দেশের সঙ্গে বিরোধ চাই না। বর্তমান যুদ্ধে তারা আমাদের লক্ষ্য নয়। আমরা কেবল মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে হামলা করেছি, যা দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাদের ভূখণ্ডে অবস্থিত।’

ভারতের প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সদস্যদেশগুলোর মধ্যে ভিন্নমত ছিল। কেউ দ্রুত সংকট সমাধান ও কূটনৈতিক সংলাপের ওপর জোর দিয়েছে, আবার কেউ সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা, আন্তর্জাতিক জলপথে নিরাপদ বাণিজ্য নিশ্চিত করা এবং বেসামরিক মানুষের জীবন ও অবকাঠামো রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

গাজা প্রসঙ্গেও আলোচনা হয় বৈঠকে। বিবৃতিতে বলা হয়, গাজা উপত্যকা অবিচ্ছেদ্যভাবে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের অংশ। পশ্চিম তীর ও গাজাকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অধীনে একীভূত করার গুরুত্বের কথা উল্লেখ করা হয় এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়। তবে এই অংশের কিছু বিষয়ে এক সদস্যদেশের আপত্তি ছিল বলেও জানায় ভারত।

২০২৬ সালের ব্রিকস চেয়ারম্যান হিসেবে ভারত উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, অর্থনৈতিক মন্দা, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, বাণিজ্যিক সুরক্ষাবাদ ও অভিবাসন সংকটের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর দেশগুলোর ঐক্য জরুরি।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ভারতের জন্যও বড় উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ হিসেবে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধে ভারত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই জলপথ দিয়েই বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত গ্যাস পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক এক হামলায় অন্তত তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।

‘সনাতন ধর্ম নির্মূল করতে হবে’, তামিলনাড়ু বিধানসভায় এমএলএর মন্তব্যে বিতর্ক

তেলের দাম বাড়াল ভারতও

পশ্চিমবঙ্গে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞা বিজেপি সরকারের

দিল্লিতে বাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার নারী, গ্রেপ্তার ২

কর্ণাটকের স্কুলে হিজাব-পাগড়ির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

মণিপুর রাজ্যে সশস্ত্র হামলায় কুকিদের ৩ গির্জা নেতাকে হত্যা, উত্তেজনা

তিব্বত যেতে হিমালয়ের গিরিপথ খুলবে ভারত, নেপালের সঙ্গে উত্তেজনা

ব্যক্তিগত জ্যোতিষীকে সহযোগী নিয়োগ, সমালোচনার মুখে বাতিল করলেন বিজয়

আস্থা ভোটে অভাবনীয় জয়, নিষ্কণ্টক হলো থালাপতি বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রিত্ব

পাকিস্তানের সঙ্গে সংলাপ বন্ধ করা যাবে না: আরএসএস