এবারের বাজেটে সরকার তাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার ও নাগরিক প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানোর চেষ্টা করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, পরিবেশ, আর্থিক শৃঙ্খলা ও জবাবদিহির মতো বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এটি ইতিবাচক দিক। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার যে প্রতিশ্রুতি বাজেটে এসেছে, তা স্বাগতযোগ্য।
শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বেড়েছে। এটি ইতিবাচক প্রবণতা। কিন্তু জিডিপির অনুপাতে এ বরাদ্দ এখনো প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। সরকারের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত বরাদ্দ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও শিক্ষা খাতে জিডিপির ৬ শতাংশ বিনিয়োগের অঙ্গীকার রয়েছে। তাই এ লক্ষ্য অর্জনে একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন।
একইভাবে, সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড, প্রতিবন্ধী ভাতা বৃদ্ধি এবং অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে আশা করা যায়।
তবে সবকিছুর কেন্দ্রে রয়েছে সুশাসন। বরাদ্দ বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সেই অর্থের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো গবেষণা। বাজেটে শিক্ষা ও উন্নয়ন নিয়ে নানা উদ্যোগ থাকলেও গবেষণা ও তথ্যভিত্তিক নীতিনির্ধারণের বিষয়ে খুব বেশি গুরুত্ব দেখা যায়নি।