হোম > সারা দেশ > রংপুর

নির্বাচনকে ঘিরে দেশে দুটি পক্ষ হয়েছে, একটি সংস্কারের পক্ষে আরেকটি বিপক্ষে: আখতার হোসেন

কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি 

জনসভায় বক্তব্য দেন আখতার হোসেন। ছবি: আজকের পত্রিকা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও রংপুর-৪ আসনে শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী আখতার হোসেন বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে দেশে দুটি পক্ষ হয়েছে। একটা পক্ষ সংস্কার ও বিচার চায়। আরেকটা পক্ষ সংস্কার ও বিচার চায় না। একটা পক্ষ আছে আধিপত্যবাদমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ চায়। আরেকটা পক্ষ গোলামির বাংলাদেশ বানাতে চায়। আমরা এটা কোনোভাবে হতে দেব না। এ ছাড়া যারা ভোটকেন্দ্র দখল করতে আসবে, তাদের আমরা প্রতিহত করব।’

গতকাল সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের কারবালা মাঠে নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন আখতার হোসেন।

আখতার হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশে অনেক দিন পরে জনগণের অংশগ্রহণে একটা নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে আমরা সকলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করব। নির্বাচনকে নিয়ে যদি কেউ টালবাহানা করার চেষ্টা করে, কেন্দ্র দখল করার চেষ্টা করে, আমরা যারা আছি, সেখানেই তাদেরকে প্রতিহত করব। আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়, কোন বাংলাদেশের পক্ষে থাকব? আমরা কি গোলামীর বাংলাদেশের পক্ষে না আজাদির বাংলাদেশ? গোলামী না আজাদি? আপস না সংগ্রাম?’

এনসিপির নেতা বলেন, ‘কাউনিয়া-পীরগাছার সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রংপুরের বৈষম্য যারা দূর করার কথা সংসদে বলতে পারবে, তাদেরকেই তারা ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাবে। আমি কথা দিচ্ছি, শুধু কাউনিয়া পীরগাছা নয়, আল্লাহ যদি আমাকে শাপলা কলি মার্কায় কবুল করে, গোটা রংপুরের বৈষম্য দূর করার জন্য ওই সংসদে আমরা কথা বলব। আমরা দীর্ঘ সময় ধরে অবহেলিত, আমরা দীর্ঘ সময় ধরে বঞ্চনার শিকার হয়ে এসেছি। বিগত দিনে যাদেরকে এমপি বানিয়ে পাঠিয়েছি, তারা আমাদের দিকে নজর দেয় নাই। চরাঞ্চলের মানুষেরা বর্ষাকালে রাস্তায় হাঁটতে পারে না। আমার এখানে হাজার হাজার মানুষের চলাচলের রাস্তা হয় না। এদিকে পত্রিকায় খবর আসে, যে জায়গায় প্রয়োজন নাই সেখানেও ফ্লাইওভার করা হয়েছে।’

আখতার হোসেন আরও বলেন, ‘আমাদেরকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। মানুষের কর্মসংস্থান নাই। এলাকার মানুষকে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে কাজ করতে হয়। রিকশা চালাতে হয়। অন্য জায়গায় গিয়ে কৃষিকাজ করতে হয়। অপার সম্ভাবনার রংপুরসহ কাউনিয়া পীরগাছায় জনগণের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয় নাই। আল্লাহ যদি আমাকে কবুল করে, তাহলে কর্মসংস্থানের জন্য, মানুষকে স্বাবলম্বী করার জন্য এই তিস্তার পাড়ে কাউনিয়া পীরগাছায় আমরা ইপিজেড নিয়ে আসব।’

এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে আখতার হোসেন বলেন, ‘আমি কথা দিচ্ছি, যদি এমপি হই, সনাতন ধর্মাবলম্বী লোকজনের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমি নিজের কাঁধে উঠিয়ে নেব।’

নির্বাচনী সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ এ টি এম আজম খান, জেলা এনসিপির সংগঠক মোস্তায়িম বিল্লা, উপজেলার যুগ্ম সমন্বয়কারী জিল্লুর রহমান, সদস্য রায়হান হোসেন, ছাত্রশিবির উপজেলার সভাপতি মোক্তারুল ইসলাম প্রমুখ।

গণপিটুনিতে নিহত রূপলালের স্ত্রী ও ছেলেকে আসামিদের হুমকি, থানায় অভিযোগ

রূপলাল-প্রদীপ লাল হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার

বাজার নিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না পোশাকশ্রমিক আলমের

রংপুরের পীরগঞ্জ: ১০২ করাতকলের সবগুলোই অবৈধ

‘না’ ভোটের পক্ষে কুড়িগ্রামে বিএনপি নেতা-কর্মীদের প্রচারণা

একটি দল ধর্মের নামে মুনাফিকি করছে: মির্জা ফখরুল

পুলিশ হেফাজতে আসামির মৃত্যুর অভিযোগ, লাশ নিয়ে বিক্ষোভ

গঙ্গাচড়ায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জনের বিএনপিতে যোগদান

ফেসবুকে নির্বাচনী আর্থিক সহায়তা চাইলেন এনসিপির আখতার হোসেন

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোনো ভূরাজনৈতিক চাপ নেই: রংপুরে চীনা রাষ্ট্রদূত