রংপুর মহানগরীর খামার মোড় এলাকায় দোকানের কর্মচারী শাওনকে লোহার হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে দোকানমালিকের ছেলে মনু মিয়ার বিরুদ্ধে। হাতুড়ি দিয়ে পেটানোর পর গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক শাওনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মনু মিয়াকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাত ৯টার দিকে নগরীর খামার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শত শত মানুষ জড়ো হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজ রাত ৯টার দিকে নগরীর খামার মোড় এলাকায় আমির হোসেনের (৫০) ভাজাপোড়ার দোকানে কাজ করছিলেন কর্মচারী শাওন। এ সময় দোকানমালিক আমির হোসেনের ছেলে মনু মিয়ার (৩০) সঙ্গে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয় দোকানের কর্মচারী শাওনের। এ নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে মনু মিয়া দোকানে থাকা লোহার হাতুড়ি দিয়ে শাওনের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে বেধড়ক মারতে থাকেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মনু মিয়াকে স্থানীয় বাসিন্দারা আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছেন।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, আটক মনু মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মহানগর কোতোয়ালি থানায় মামলা করবে নিহত শাওনের পরিবার।
রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদির বলেন, এরই মধ্যে হত্যাকারীকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হলে সেই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে। ওই এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে।