নীলফামারীতে ট্রেনে কাটা পড়ে উত্তরা ইপিজেডের চার নারী শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ইজিবাইকে করে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে নীলফামারী সদরের দারোয়ানী রেলক্রসিংয়ে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ইজিবাইকের চালকসহ আরও পাঁচ শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উত্তরা ইপিজেডের আটজন নারী শ্রমিক ইজিবাইকে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। ইজিবাইকটি দারোয়ানি রেলক্রসিং অতিক্রমের সময় চিলাহাটিগামী আন্তনগর রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে যাত্রীসহ ইজিবাইকটি দুমড়ে-মুচড়ে রেলপথ থেকে প্রায় ৫০ গজ দূরে ছিটকে যায়।
এ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যান সদরের সোনারায় ইউনিয়নের ধনীপাড়ার আশরাফ আলীর স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫)। স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে নেওয়ার পথে কোরানীপাড়ার বেলাল হোসেনের স্ত্রী ছায়া বানু (২৬) ও ধনীপাড়ার মোশাররফ হোসেন বদির স্ত্রী রুমা আকতারের (২৫) মৃত্যু হয়। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান ধনীপাড়ার আরমান হোসেনের স্ত্রী মিনারা আকতার।
সোনারায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম শাহ আজকের পত্রিকাকে চারজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘন কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে। এই রেলপথে অরক্ষিত রেলক্রসিং থাকায় এসব যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করায় দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বিশ্বাসের ধারণা, কুয়াশার কারণে ইজিবাইকচালক ট্রেনটি দেখতে না পাওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।