বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেন, ‘সন্ত্রাসী কায়দায় আবারও ক্ষমতায় বসার পরিকল্পনা করছে আওয়ামী লীগ সরকার। তারা বাংলাদেশের সংবিধানকে কেটে ছিঁড়ে আওয়ামী সংবিধানে পরিণত করেছে।’ আজ শুক্রবার সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি কার্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশ আজ দিন দিন খারাপের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এ থেকে উত্তরণে সরকারকে পদত্যাগ করে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আ. লীগের সাধারণ সম্পাদকের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো ক্ষমতা নাই!’ তাই তাঁর কথায় পাত্তা না দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের স্বভাবসুলভ চরিত্র, সব সময় সন্ত্রাস, ত্রাস করে ক্ষমতায় যায়। সেভাবেই তারা আগামী নির্বাচনে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য পাঁয়তারা শুরু করেছে। ২০১৪ সালে এমন একটা অবস্থা তৈরি করে, ত্রাস করে, সন্ত্রাস করে নির্বাচন করেছিল এবং জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। তারা জনগণকে ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগই দেয়নি। ১৫৪টি আসনেই বিনা ভোটে নির্বাচিত করে। একইভাবে সারা দেশে সন্ত্রাসী কায়দায় গায়েবি মামলা দিয়ে বিএনপির অসংখ্য হাজার হাজার নেতা কর্মীদের গ্রেপ্তার করা ও ১৯ জন প্রার্থীকে বন্দী করা, আদালতকে ব্যবহার করা, নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে আগের রাতেই রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে তারা নির্বাচন করে ক্ষমতায় এসেছে।’
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈমুর রহমান, অর্থ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সরকার মো. নুরুজ্জামান নুরু, সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানাসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।