বগুড়ার ধুনটে স্ত্রীর ওপর অভিমান করে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। প্রায় তিন মাস ধরে তাঁর স্ত্রী বাবার বাড়ি গিয়ে আর ফিরে না আশায় তিনি এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে পরিবার ও স্থানীয়দের বরাতে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরের দিকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার গোপালনগর ইউনিয়নের নওদা ব্রহ্মগাছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম সোহেল রানা (২২)। তিনি পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি ছিলেন। ধুনট উপজেলার নওদা ব্রহ্মগাছা গ্রামের সন্দেশ আলীর ছেলে সোহেল রানা।
পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয়রা বলছে, সোহেল রানা পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। প্রায় তিন বছর আগে পার্শ্ববর্তী গ্রামে বিয়ে করেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় প্রায় তিন মাস আগে বাবার বাড়ি যান তাঁর স্ত্রী। তিন মাস চেষ্টা করেও স্ত্রীকে নিজের বাড়ি ফিরিয়ে আনতে না পেরে নিজের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন সোহেল রানা।
একপর্যায়ে তিনি স্ত্রীর ওপর অভিমান করে সোমবার রাত ৯টার দিকে নিজের শোয়ারঘরে আড়ার সঙ্গে রশি বেঁধে গলায় ফাঁস দেন। রাতে সোহেলের ঘরে ঢুকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলে থাকতে দেখে তাঁর মা চিৎকার শুরু করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন সোহেলকে উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই মরদেহ থানা হেফাজতে নেয়। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে।
এ বিষয়ে ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শজিমেক মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।