হোম > সারা দেশ > রাজশাহী

বরেন্দ্র অঞ্চল রক্ষায় আট দফা অঙ্গীকার

রাবি প্রতিনিধি

নগরীর তেরোখাদিয়ায় ভিক্টোরিয়া কনভেনশন হলে ইউরিচের আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সংলাপে অতিথিরা। ছবি: আজকের পত্রিকা

বরেন্দ্র অঞ্চলের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা, পানিসংকট মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আট দফা অঙ্গীকার গ্রহণ করেছেন নীতিনির্ধারক, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এসব অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার, স্থানীয় প্রশাসন, উন্নয়ন সহযোগী ও সুশীল সমাজের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আজ শনিবার রাজশাহী নগরীর তেরোখাদিয়ায় ভিক্টোরিয়া কনভেনশন হলে ইউথ ইন রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন ফর সোশ্যাল চেঞ্জের (ইউরিচ) আয়োজনে উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সংলাপে এসব অঙ্গীকার গ্রহণ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার।

আট দফা অঙ্গীকারের মধ্যে রয়েছে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনে সীমা নির্ধারণ, জবাবদিহিমূলক ও বৈষম্যহীন সেচব্যবস্থা নিশ্চিত করা, খাল-পুকুর উদ্ধার ও ভূপৃষ্ঠের পানির ব্যবহার বাড়ানো, স্বল্প পানিনির্ভর ফসলের চাষ এবং কৃষকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি তাপপ্রবাহ ও খরায় স্বাস্থ্য সুরক্ষা, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়, স্থায়ী বাজেট বরাদ্দ এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে তদারকি জোরদারের অঙ্গীকার করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকা মানুষের অধিকার। বিপন্ন জীবন ও প্রকৃতি রক্ষা সবার দায়িত্ব। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ওপর কীভাবে পড়ছে, তা চিহ্নিত করে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা নিয়েছে। বরেন্দ্র অঞ্চলে খরা মোকাবিলায় অধিক হারে গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবিবা বলেন, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমাগত নিচে নেমে যাওয়ায় বরেন্দ্র অঞ্চল ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। মরুকরণ রোধে সামাজিক প্রতিরোধও গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের পরিচালক অধ্যাপক মো. গোলাম মোস্তফা। দ্বিতীয় পর্বে প্যানেল আলোচনা ও গোলটেবিল বৈঠকে কৃষি, জেন্ডার, পানিসংকট, আদিবাসী জনগোষ্ঠী, স্বাস্থ্য, জীবিকা ও অর্থনীতি, খরা এবং তীব্র তাপপ্রবাহ ও শৈত্যপ্রবাহ বিষয়ে সমস্যা ও সমাধানের সুপারিশ তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।

সমাপনী বক্তব্যে ইউরিচের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয় বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলের পানির টেকসই ব্যবহার, সামাজিক ন্যায়বিচার ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করতে ‘বরেন্দ্র ঘোষণা ২০২৬’ বাস্তবায়ন জরুরি। এ জন্য সরকার, স্থানীয় প্রশাসন, উন্নয়ন সহযোগী ও সুশীল সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সংলাপে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মণ্ডল, নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মোছা. রউফা খানম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কাজী রবিউল আলম, অধ্যাপক পারভেজ আজহারুল হক ও রাদিয়া আউয়াল তৃষাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।

পরীক্ষকের বাসায় গিয়ে খাতায় লেখা সেই পরীক্ষার্থীর ফল স্থগিত

এ বছরই চালু হচ্ছে পাঁচটি শিশু হাসপাতাল: প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী

রাজশাহীতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ তিনজন গ্রেপ্তার

রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসির পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ

নাটোরের গুরুদাসপুর: বাবা এমপি, ছেলেরা বেপরোয়া

রাজশাহীতে শিশু থিয়েটারের ৩৪তম বর্ষপূর্তি উৎসব

রাজশাহীতে বাস-ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

রাজশাহীতে পার্সেল সার্ভিস থেকে ২৮ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১

নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, রাজশাহী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন

রাবিতে সার্বভৌমত্ব, মানবতা ও আইন বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু