স্কুলছাত্রী ধর্ষণচেষ্টা মামলায় পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলা থানার আর-আতাইকুলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি আবুল কাশেমকে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার ভোরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তাঁকে দল থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আবুল কাশেম সাঁথিয়ার আতাইকুলা থানা এলাকার আডিয়াডাংগী গ্রামের মৃত নিজামুদ্দিন শেখের ছেলে।
গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে মামলা হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ও অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে গতকাল রোববার স্থানীয় বাসিন্দারা আবুল কাশেমের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। এ ছাড়া কাশেমের ভাই মাসুদ ও সাদ্দামের বাড়ি এবং প্রতিবেশী সজীবের বাড়িতেও ভাঙচুর করা হয়। কাশেমের আত্মীয় শাকিলের মাইক্রোবাসও ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ জনতা। আতাইকুলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
ওই দিন রাতে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি একতাশামুল হক রাজিব ও সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল সরদারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে আবুল কাশেমকে দলীয় সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে নেতা-কর্মীদের তাঁর সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, ‘ভোরে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর এলাকা থেকে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করেছি। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
উল্লেখ্য, আজ প্রকাশিত দৈনিক আজকের পত্রিকায় এ ঘটনায় ‘স্কুলছাত্রীর শ্লীলতাহানির প্রতিবাদে মানববন্ধন’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।