নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ী সাব্বির আলম খন্দকার হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা তৈমূর আলম খন্দকার। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ শাম্মী আক্তারের আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন। এ সময় মামলার অন্যতম আসামি জাকির খানকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আগামী ৬ মার্চ মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেন। এর আগে, সকালে কঠোর নিরাপত্তায় আদালত প্রাঙ্গণে জাকির খানকে হাজির করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সাব্বির আলম খন্দকারকে হত্যা করা হয়। এই মামলায় ২০০৬ সালের ৮ জানুয়ারি আদালতে জাকির খান, তার দুই ভাই জিকু খান, মামুন খানসহ মোট ৮ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলার প্রধান আসামি বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিনকে বাদ দিলে নারাজি দেন তৈমূর আলম খন্দকার। পরে তৈমূর পুনরায় নারাজি প্রত্যাহার করে নেন। দীর্ঘদিন সাক্ষীরা আদালতে না আসায় বিচার কার্যক্রম স্থবির হয়ে পরে।
আসামি পক্ষের আইনজীবী রবিউল হোসেন বলেন, আজ আদালতে জাকির খানকে একটি মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য আনা হয়। মামলায় সাক্ষী তৈমূর আলম খন্দকার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
এদিকে জাকির খানকে আদালতে আনাকে কেন্দ্র করে তার অনুসারীরা আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হন। পড়ে তার উপস্থিতিতে মুক্তি চেয়ে স্লোগান দিলে তাদের বাধা দেয় পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন ছিল অতিরিক্ত পুলিশ।
কোর্ট পুলিশের পরিদর্শন মো. আসাদুজ্জামান বলেন, পরিস্থিত স্বাভাবিক ছিল। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরিস্থিতি যেন স্বাভাবিক থাকে সেদিকে খেয়াল রাখা হয়। সেই অনুযায়ী আমরা প্রস্তুত ছিলাম।
উল্লেখ্য, জাকির খান নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ী সাব্বির আলম হত্যা মামলার আসামি ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ দেশ ও দেশের বাইরে পলাতক ছিলেন।