নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রেন সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মেজবাহ উদ্দিন (৬৫) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ৭টার দিকে মারা যান তিনি। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া।
এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আহত মেজবাহ উদ্দিন সকালে হাসপাতালে মারা গেছেন। গতকাল রাতে ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।
মৃত মেজবাহ উদ্দিনের ছেলে শাহরিয়ার মাহমুদ শিশির বলেন, তাদের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার ঘাড়মোড়া গ্রামে। তাঁর বাবা পঞ্চবটি কোল্ড স্টোরেজ এ কর্মরত ছিলেন। গতকাল কাজ শেষে পঞ্চবটি থেকে আনন্দ পরিবহনে করে বাসায় ফিরছিলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সংবাদ পেয়ে বাবাকে প্রথমে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে রাতেই ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, এই ঘটনায় এখনো নুরু মিয়া (৩০) নামের একজন বাস চালক ও মনোরঞ্জন সাহা (৪০) নামের একজনসহ দুজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। নুরু মিয়ার মাথায় অঘাত রয়েছে। মনোরঞ্জনের পায়ে আঘাত রয়েছে। তবে তাদের অবস্থা গুরুতর নয়, বলে জানিয়েছে চিকিৎসকেরা।
উল্লেখ্য, মেজবাহ উদ্দিনের মৃত্যুর পর এই ঘটনায় শিশুসহ মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল চারজন। গতকাল রোববার রাত পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় অজ্ঞাত ১০ বছর বয়সী ওই শিশু। শিশুটির বাম পা কোমর বিচ্ছিন্ন হয়েছিল। ঘটনাস্থলে মারা যান দুজন।