হোম > সারা দেশ > নওগাঁ

মান্দায় সাত বিঘা জমির ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি 

ভাড়াটে লোক লাগিয়ে কেটে নেওয়া হচ্ছে প্রতিপক্ষের জমির ধান। ছবি: আজকের পত্রিকা

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ভোগদখলীয় সাত বিঘা জমির আধা পাকা বোরো ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে উপজেলার মান্দারবিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীরা হলেন মান্দা সদর ইউনিয়নের বাদলঘাটা গ্রামের আশরাফুল ইসলাম, কামরুজ্জামান ও আব্দুর রাজ্জাক। অভিযুক্তরা একই গ্রামের আলাউদ্দিন সরদার, রায়হান আলী সরদার, আলাউদ্দিন প্রামাণিকসহ তাঁদের লোকজন।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, তাঁরা দীর্ঘ প্রায় ৪৫ বছর ধরে কবলাসূত্রে প্রাপ্ত সাত বিঘা জমি ভোগদখল করে আসছেন। চলতি মৌসুমে ওই জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়। ধান সবে পাকতে শুরু করেছে। আর এক সপ্তাহ পরেই কাটা হবে। এ অবস্থায় আজ সকালে নিয়ামতপুর ও বাগমারা উপজেলা থেকে ভাড়াটে লোকজন এনে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক ধান কেটে নিয়ে যান।

ভুক্তভোগী কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা বহু বছর ধরে জমিগুলো ভোগদখল করে আসছি। এর আগে প্রতিপক্ষরা আদালতের মাধ্যমে ওই সব জমি দখল নেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। এবার হঠাৎ ভাড়াটে লোক এনে জোরপূর্বক আমাদের ধান কেটে নিয়ে গেছে।’

অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে আলাউদ্দিন সরদারের দাবি, জমিটি এত দিন অবৈধভাবে দখলে রেখেছিলেন প্রতিপক্ষ। তিনি বলেন, ‘এ বছর আমরা আমাদের বেদখল হওয়া সম্পত্তির দখল নিয়েছি।’

এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

নওগাঁয় ছাত্রাবাস থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মহাদেবপুরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের বাইসাইকেল, নারীদের সেলাই মেশিন বিতরণ

আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক গান, ১৭ শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

নিয়ামতপুরে সন্তানকে বিষ পানে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা

কলাগাছের পাতা কাটা নিয়ে দ্বন্দ্ব, বড় ভাইকে হত্যার অভিযোগ

নওগাঁর নিয়ামতপুরে ভটভটি উল্টে নিহত ১, আহত ৫

বৃষ্টিতে ডুবছে সবজির খেত, বাজারে বেড়েছে দাম

জুলাই শহীদ দিবসে বদলগাছীতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

হাঁটুপানি মাড়িয়ে যেতে হয় বিদ্যালয়ে, ভোগান্তিতে শতাধিক শিক্ষার্থী

দেশ ডুবছে পানিতে আর প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ত ফটোসেশনে: সারজিস আলম