মাদারীপুর জেলার শিবচরের পদ্মা সেতু-সংলগ্ন নদীশাসন বাঁধ এলাকায় নানা প্রজাতির গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ছায়াঘেরা পরিবেশ তৈরি এবং পর্যটক আকর্ষণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় পদ্মা নদীর বেড়িবাঁধে গাছ লাগানোর এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শিবচরের পদ্মা নদী-সংলগ্ন মাদবরের চর এলাকার বেড়িবাঁধ থেকে কাঁঠালবাড়ি পর্যন্ত অংশে ১ হাজার ৩০০ গাছের চারা রোপণ করা হবে। ইতিমধ্যে বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. আজমল হোসেন এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পদ্মাপাড়ের দীর্ঘ এই বেড়িবাঁধে কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, কদম, জারুল, সোনালু, পলাশসহ নানা প্রজাতির গাছের চারা লাগানো হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, পদ্মা সেতুর নদীশাসন বাঁধ তৈরির পর পদ্মাপাড় একরকম পর্যটনকেন্দ্র হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ এখানে আসে সময় কাটাতে। ঈদের সময় পর্যটকদের ঢল নামে। তবে নদীর পাড়ে কোনো গাছপালা না থাকায় বেশ কষ্ট হয় রোদের তাপে। বেড়িবাঁধে গাছ লাগানো হলে একসময় এই গাছগুলো সৌন্দর্য ছড়াবে। ছায়া দেবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা আরও বলেন, সরকারি উদ্যোগে গাছ রোপণ শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে চমৎকার। এক পাশে নদীর টলমলে পানি অন্য পাশে সারবদ্ধ গাছ। চমৎকার পরিবেশ তৈরি হবে।
উপজেলার কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হাবিবুর রহমান বলেন, ‘উপজেলা উন্নয়ন তহবিল থেকে পদ্মাপাড়ে ১ হাজার ৩০০ গাছ লাগানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার। এ সময় সহকারী কমিশনারও (ল্যান্ড) ছিলেন। আমরা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছি। পুরো এলাকাজুড়ে গাছ লাগানো সম্পন্ন হতে আরও এক সপ্তাহ লাগবে।’
বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. আজমল হোসেন বলেন, ‘পর্যটকদের জন্য মনোরম পরিবেশ তৈরিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পদ্মার পাড়জুড়ে অসংখ্য গাছ লাগানো হবে। গাছগুলো বড় হলে অন্যরকম সৌন্দর্যবর্ধন হবে পদ্মার পাড়ে, যা পর্যটকদের আরও আকৃষ্ট করবে।’