হোম > সারা দেশ > মাদারীপুর

গ্রেপ্তারের ভয়ে ইয়াবা গিলে ফেললেন যুবক, গুরুতর অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ

মাদারীপুর প্রতিনিধি

ইয়াবা গিলে ফেলে গুরুতর অসুস্থ মাদককারবারি সোহাগ ফকির। ছবি: আজকের পত্রিকা

মাদারীপুরে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে গ্রেপ্তারের ভয়ে ১৯টি ইয়াবা গিলে ফেললেন যুবক। পরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এই অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার সোহাগ ফকির (৩৬) মাদারীপুর সদর উপজেলার পশ্চিম রাস্তি গ্রামের মৃত মোফাজ্জেল ফকিরের ছেলে।

পুলিশ, হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক উদ্ধার অভিযানে সদর উপজেলার পূর্ব রাস্তি এলাকায় যান জেলার গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা। এ সময় সেখানকার একটি স মিলের পাশ থেকে পশ্চিম রাস্তি গ্রামের সোহাগ ফকিরকে আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সোহাগ কৌশলে তাঁর সঙ্গে থাকা একটি প্যাকেট ছিঁড়ে ১৯টি ইয়াবা গিলে ফেলেন। এ সময় আরেকটি প্যাকেটে থাকা ১৯টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে আটক করে মাদারীপুর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসে নিয়ে আসা হয়। এ সময় ওই মাদক কারবারি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে রাতেই তাঁকে মাদারীপুর ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে আজ দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাঈম বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি ইয়াবা গিলে ফেলেছেন। এতে অসুস্থ হয়ে পড়ায় প্রথমে তাঁকে মাদারীপুর ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মৃগী রোগে আক্রান্ত গৃহবধূ মারা গেলেন পানিতে ডুবে

মহাসড়ক ঘেঁষে ভাগাড়, ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ

মাদারীপুর শহর: পুকুর ভরাট করে বহুতল ভবন

মাদারীপুরে দুই বংশের লোকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৪

শিক্ষককের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

চাচাতো ভাইয়ের ঘুষিতে প্রাণ গেল যুবকের, অভিযুক্ত পলাতক

মাদারীপুরে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণ, যুবকের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

মাদারীপুরে আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা, ৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

নিখোঁজের দুই দিন পর বাঁশঝাড় থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

সালিসে উত্তেজিত বক্তব্যের ভাইরাল ভিডিও, ব্যাখ্যা দিলেন এমপি হানজালা