হোম > সারা দেশ > খুলনা

খুলনা বন্য প্রাণী পুনর্বাসন কেন্দ্রে স্থান পেল খানজাহান আলী মাজারের কুমিরটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা 

খানজাহান আলী মাজারসংলগ্ন দিঘি থেকে সরিয়ে কুমিরটিকে খুলনা বন্য প্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হজরত খানজাহান আলী (রা.) মাজারসংলগ্ন দিঘি থেকে উদ্ধার করা কুমিরটিকে খুলনা বন্য প্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে কুমিরটিকে সেখানে নেওয়া হয়।

খুলনা বন্য প্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) নির্মল কুমার পাল জানান, পর্যবেক্ষণের জন্য বেলা ১টা ১৫ মিনিটের দিকে কুমিরটিকে পুনর্বাসন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।

নির্মল কুমার পাল আরও জানান, বন অধিদপ্তর, বন্য প্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্র এবং করমজল বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের একটি যৌথ দল বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের সহায়তায় দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে কুমিরটিকে উদ্ধার করে খুলনায় পাঠিয়েছে।

ডিএফও নির্মল কুমার জানান, খুলনা পুনর্বাসন কেন্দ্রে চার থেকে সাত দিন নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর কুমিরটিকে কোথায় রাখা হবে, সে বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।

কুমিরটি হস্তান্তরের সময় খুলনার বন সংরক্ষক ইমরান খান, বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

পশ্চিম সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, বন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ উদ্ধারকারী দল আজ সকালে কুমিরটিকে উদ্ধার করে খুলনা বন্য প্রাণী উদ্ধার কেন্দ্রে পাঠিয়েছে।

রেজাউল করিম আরও জানান, দলটি কুমিরটির আচরণ ও শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবে। পাশাপাশি এর ব্যবস্থাপনা ও স্থায়ী আবাস নির্ধারণে প্রয়োজনীয় কারিগরি বিষয়গুলো মূল্যায়ন করবে।

এর আগে, বাগেরহাট জেলা প্রশাসন মাজারসংলগ্ন দিঘির কুমিরটিকে সুন্দরবনের করমজল বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়। তীর্থস্থানে আগত দেশি-বিদেশি দর্শনার্থী ও ভক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টায় অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন।

সভা শেষে জেলা প্রশাসক বলেন, সাম্প্রতিক মর্মান্তিক ঘটনার পর মাজার এলাকায় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কুমিরটিকে দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মাজার এলাকায় নিরাপত্তা ও নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাজারসংলগ্ন দিঘিতে গোসল করতে নেমে সাত বছর বয়সী ফাতেমা আক্তার কুমিরের আক্রমণের শিকার হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিরটি শিশুটির পা ধরে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়। পরদিন মঙ্গলবার ভোরে পুকুরের মহিলা ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা, দর্শনার্থী ও ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

খুলনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর সহযোগী রাব্বিসহ ৪ জন গ্রেপ্তার

ডুমুরিয়ায় যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ১, আহত ১০

খুলনায় বিএনপি নেতাকে গুলি, গুরুতর আহত

খুলনায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

যুবলীগ নেতা হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত আটক

যশোরে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেরিয়ে প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

জামায়াতের দুই কর্মীর মধ্যে মারামারি, অফিস ভাঙচুর

সুন্দরবনে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

খুলনায় বাসা থেকে নানি ও নাতির লাশ উদ্ধার

কেসিসি পরিচালিত পশুর হাট থেকে সোয়া ২ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়