হোম > সারা দেশ > জয়পুরহাট

জয়পুরহাট-মোকামতলা: সড়কে নিম্নমানের কাজ

মো. আতাউর রহমান, জয়পুরহাট 

সড়কে নিম্নমানের ইটের খোয়া বিছানো রয়েছে। সম্প্রতি জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার সুড়াইল গ্রামে। আজকের পত্রিকা

জয়পুরহাট-মোকামতলা আঞ্চলিক মহাসড়কের কালাই উপজেলার সুড়াইল এলাকায় রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সড়কে বিছানো ইটের খোয়া এতটাই নিম্নমানের যে সাধারণ একটি সাইকেল বা ভ্যানগাড়ির চাকার চাপেই তা ভেঙে গুঁড়া হয়ে যাচ্ছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণের কাজ করায় সড়কটি টেকসই হবে না। এছাড়া আরও অভিযোগ উঠেছে, নিম্নমানের খোয়া সরাতে সরকার নির্দেশনা দিলেও তা মানেননি ঠিকাদার।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, কালাই উপজেলার সুড়াইল ভিলেজ রোড নামে ১ হাজার ২০ মিটার দৈর্ঘ্যের সড়কটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ১৭ লাখ ৫৫ হাজার ৭৭৪ টাকা। আক্কেলপুরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘হুজাইফার ট্রেডার্স’ এই কাজটি বাস্তবায়ন করছে।২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর শুরু হয়ে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বর। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ওই সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। বর্তমানে এ সড়কে ইটের খোয়া বিছানোর কাজ চলমান রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, জয়পুরহাট-মোকামতলা আঞ্চলিক মহাসড়কের আবদুল মালেকের চালকল এলাকা থেকে শুরু করে কালাই উপজেলার সুড়াইল গ্রামের ভেতরের দিকে এই গ্রামীণ সড়কের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। সড়কে ইটের খোয়া বিছানোর কাজ চলছে। সড়কের শুরুর অংশ থেকে ২৫-৩০ ফুট জায়গায় মোটামুটি ভালো মানের খোয়া ব্যবহার করা হয়েছে। এর পর থেকে ক্রমেই বেশি পরিমাণের নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার করেছেন ঠিকাদার।

সুড়াইল গ্রামের খায়রুল, আবু তাহের, হযরত আলী, বালাইট গ্রামের সুজাউল ও হাসান আলী এবং হাজীপাড়া গ্রামের সানোয়ার হোসেনসহ আরও অনেকে অভিযোগ করেন, সড়কের শেষ অংশ থেকে অত্যন্ত নিম্নমানের ৩ নম্বর ইটের খোয়া বিছানো শুরু হয়েছে। ধুলার মতো নরম এই খোয়া দিয়ে রাস্তা বানালে প্রথম বর্ষাতেই সড়ক ধসে যাবে। ঠিকাদারের লোকজনকে বারবার অভিযোগ করার পরও তাঁরা স্থানীয়দের কথা পাত্তাই দেননি। উল্টো সড়কের কাজ দ্রুত শেষ করার পাঁয়তারা করছেন ঠিকাদার।

জানতে চাইলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হুজাইফার ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মামুন দাবি করেন, নিম্নমানের খোয়া সরিয়ে এখন উন্নতমানের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে।

ঠিকাদার নিম্নমানের খোয়া সরিয়ে নেওয়ার দাবি করলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি বলে সুড়াইল গ্রামবাসী জানিয়েছেন।

সুড়াইল গ্রামের এরফান আলী বলেন, ‘ঠিকাদার রাস্তা থেকে নিম্নমানের খোয়া সরাননি। তাঁরা আগে ব্যবহার করা নিম্নমানের খোয়ার ওপরে কিছুটা ভালো খোয়া ঢেলে দিয়েই এই দাবি তুলেছেন। এই ঠিকাদার একটা দিনডাকাত। গ্রামবাসী বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তিনি ৩ নম্বর ইটের

খোয়া ব্যবহার করে আমাদের

সড়ক নির্মাণ করছেন। এ অবস্থায় আমাদের জোর দাবি, রাস্তা যাতে টেকসই হয়, সে জন্য দ্রুত রাস্তা থেকে নিম্নমানের আগে ব্যবহার করা খোয়াগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়।’

এ ব্যাপারে কালাই উপজেলা প্রকৌশলী সুমন দেবনাথ বলেন, ‘সড়ক নির্মাণকাজে ব্যবহৃত নিম্নমানের খোয়া সরিয়ে নেওয়ার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু তারা আমাদের সরকারি নির্দেশনা মানেনি। বিষয়টি আমরা ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি।’

গরুতে গতি জীবনের চাকায়

জয়পুরহাটে কুরিয়ার সার্ভিসের গোডাউনে বিজিবির অভিযান, ৫৬ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ

পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করা হলো না দক্ষিণ কোরিয়ায় নিহত হাসিবুরের

জয়পুরহাটে জুলাই আন্দোলন ও হত্যা মামলায় ৭ আ.লীগ নেতার আত্মসমর্পণ

পাঁচবিবিতে পূর্বশত্রুতার জেরে কৃষককে কুপিয়ে জখম

‘জয়পুরহাটে নতুন মেডিকেল কলেজ হবে, জেনারেল হাসপাতাল হবে ৫০০ শয্যার’

ড্রেনেজ ব্যবস্থা ঠিক থাকলে আলুতে এত ক্ষতি হতো না: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

কাগজপত্র ছাড়া যানবাহনে জ্বালানি নয়

সততা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

জয়পুরহাটের নান্দাইল দীঘি, বিলের ঘাট, শিশু উদ্যান পর্যটক বরণে প্রস্তুত