যশোরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হত্যাচেষ্টার ভুয়া ভিডিও ছাড়ার অভিযোগে সাজ্জাদ হোসেন সাজু নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে গোয়েন্দা ডিবি-পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে শহরতলির পুলেরহাট এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
আজ রোববার তাঁকে যশোর বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর ও পোড়ানোর মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সাজ্জাদ ওই এলাকার সিদ্দিক হোসেনের ছেলে এবং তিনি আওয়ামী লীগের সমর্থক বলে জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আবুল বাশার।
পুলিশ জানায়, সাজ্জাদ হোসেন সাজু নিজের ফেসবুক আইডি থেকে যশোরে যুবলীগ কর্মীকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যাচেষ্টার একটি ভিডিও পোস্ট করেন। তবে ভিডিওটি যশোরের নয়, বহু আগের দেশের অন্য একটি স্থানে সংঘটিত মারধরের ঘটনা।
সেটিকে বিকৃতভাবে ব্যবহার করে যশোরের ঘটনা হিসেবে প্রচার করা হয়। এর মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিতর্কিত করা, অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি ও সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়।
বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এলে নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল রাতে অভিযান চালিয়ে সাজ্জাদকে আটক করে ডিবি-পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজের অপরাধ স্বীকার করেন। পরে তাঁকে কোতোয়ালি থানায় সোপর্দ করা হয়।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা কাজী বাবুল হোসেন বলেন, গত বছরের ৪ আগস্ট জেলা বিএনপি অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সাজ্জাদ হোসেন সাজুর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। ওই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।