যশোরের মনিরামপুরে উল্টো দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলকে জায়গা দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক আলমসাধুচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা তিন আরোহীসহ আহত হয়েছেন ৪ জন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মনিরামপুর-ঢাকুরিয়া সড়কের জয়পুর কাচারিবাড়ি নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আলমসাধুচালকের নাম সুবাস দাস (২২)। তিনি জয়পুর গ্রামের কৃষ্ণ দাসের ছেলে। আহতরা হলেন ঢাকুরিয়া গ্রামের সৌরভ দাস (২৫), প্রদীপ দাস (১৬), প্রেম দাস (১৪) ও মহাদেবপুর গ্রামের সুমঙ্গল দাস (১৮)। আহতদের মধ্যে সৌরভ দাস ও প্রেম দাসকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মনিরুজ্জামান দুর্ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ঢাকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন, গতকাল রাতে বৃষ্টি হচ্ছিল। বৃষ্টির মধ্যে দ্রুত গতিতে একটি মোটরসাইকেল মনিরামপুর বাজার থেকে ঢাকুরিয়া বাজারের দিকে যাচ্ছিল। মোটরসাইকেলে চালকসহ তিনজন ছিলেন। এ সময় ঢাকুরিয়া বাজারের দিক থেকে একজনকে নিয়ে আলমসাধু চালিয়ে মনিরামপুরের দিকে যাচ্ছিলেন সুবাস দাস। তাঁরা জয়পুর কাচারিবাড়ি নামক স্থানে পৌঁছালে দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে আবুল কালাম আরও বলেন, মোটরসাইকেল রং সাইড দিয়ে যাচ্ছিল। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আলমসাধু রাস্তার পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে আলমসাধুচালক ঘটনাস্থলে মারা যান।
মনিরামপুর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক রঘুরাম বিশ্বাস বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা পাঁচজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনেন। আমরা সুবাস দাসকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। আহতদের মধ্যে সৌরভ দাস ও প্রেম দাসের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। বাকি দুজন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।’