গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ভাই পরিতোষ রায়ের বারান্দায় শুয়ে ছিলেন নীলা রায় (৭৩)। মধ্যরাতে তাঁকে দেখতে না নেয়ে বাড়ির লোকজন তাঁকে খুঁজতে শুরু করেন। এরপর তাঁকে পুকুর পাড়ের আম গাছে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্বজনেরা। পরে স্বজনরা লাশ নামিয়ে পুলিশে খবর দেন। আজ শুক্রবার দুপুরে যশোরের মনিরামপুরের হরিদাসকাটি ইউনিয়নের নেবুগাতী গ্রাম থেকে পুলিশ বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠান। নিঃসন্তান নীলা রায় গলায় রশি জড়িয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি স্বজনদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তরুণী বয়সে যশোর সদর উপজেলার রূপদিয়া গ্রামের নীরাপদ রায়ের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। বিয়ের এক বছর ঘুরতেই নিরাপদ রায় বিষপানে আত্মহত্যা করেন। এরপর মনিরামপুরের নেবুগাতী গ্রামে বাবার বাড়িতে চলে আসেন নীলা। এর পর থেকে ভাই পরিতোষের আশ্রয়ে থাকতেন তিনি।
হরিদাসকাটি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রণব কুমার বিশ্বাস বলেন, বৃদ্ধা শ্রবণ প্রতিবন্ধী ছিলেন। দীর্ঘদিন তিনি পেটের পীড়ায় ভুগছিলেন। ভাই পরিতোষ রায়ের বারান্দায় থাকতেন তিনি। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ির লোকজনের সঙ্গে তার বাগ্বিতণ্ডা হয়। এতে অভিমান করে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন।
মনিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছি। বৃদ্ধার আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি।