যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় কপোতাক্ষ নদে ডুবে মলি খাতুন (৩৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে স্বজনেরা তাঁর মরদেহ নদীর পানিতে ভাসতে দেখেন। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নদীতে হাঁস খুঁজতে গিয়ে নিখোঁজ হন তিনি। মলি খাতুন উপজেলার মশ্মিমনগর ইউনিয়নের নোয়ালী গ্রামের আখিরুল ইসলামের স্ত্রী।
মশ্মিমনগর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আজব আলী আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘কপোতাক্ষের পাড়ে বাড়ি হওয়ায় আমাদের অঞ্চলের নারীরা হাঁস পালন করেন। মলি খাতুনের তিন-চারটি হাঁস কদিন ধরে নিখোঁজ ছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নদীর ওপারে তাঁর হাঁস দেখতে পেয়ে সাঁতরে হাঁস আনতে যায় মলি খাতুন।’
আজব আলী আরও বলেন, ‘নদীর ওপারে যাওয়ার পরে রাতে বাড়ি না ফেরায় সারা রাত নদীতে তাঁর সন্ধান চলে। খবর পেয়ে রাজগঞ্জ ক্যাম্প থেকে পুলিশ আসে, কিন্তু ওই নারীকে পাওয়া যায়নি। পরে আজ (শুক্রবার) সকালে বাড়ির অদূরে মলি খাতুনের মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্বজনেরা। কপোতাক্ষ নদে শেওলায় ভরা। ধারণা করা হচ্ছে, সাঁতরে যাওয়ার সময় শেওলায় আটকে ডুবে মলি খাতুনের মৃত্যু হয়েছে।’
এ বিষয়ে রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক বাণী ইসরাইল বলেন, ‘কোনো অভিযোগ না থাকায় স্বজনদের অনুরোধে গৃহবধূর মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’