দেশের দণ্ডবিধি ও বিচারব্যবস্থা আজও সেই ঔপনিবেশিক আদলে রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেছেন, এই ঔপনিবেশিক আইন ও বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের গণ-অনাস্থা তৈরি হয়েছে।
আজ শুক্রবার রাজধানীর ভাটারায় দলের নগর উত্তর কার্যালয়ে আয়োজিত নগর উত্তরের শুরা বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আতাউর রহমান এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ অন্তত দুবার স্বাধীনতা অর্জন করেছে বলে মন্তব্য করেন গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেন, ‘১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ হটিয়ে স্বাধীনতা এবং ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের অপশাসন থেকে স্বাধীনতা। কিন্তু আক্ষেপের বিষয় হলো, আমাদের দণ্ডবিধি ও বিচারব্যবস্থা আজও সেই ঔপনিবেশিক আদলে থেকে গেছে। ফলে আইন অপরাধীর জন্য সুযোগ তৈরি করেছে আর বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘশ্বাস তৈরি করেছে।’
ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র বলেন, ‘দেশে ধর্ষণের বিচার হয় না বললে চলে। দেড় লাখ মামলা ঝুলে আছে। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতিই বাংলাদেশকে নারীদের জন্য মধ্যযুগীয় ইউরোপীয় নিরাপত্তাহীনতায় নিপতিত করেছে।
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশুর সঙ্গে যা হয়েছে, তার পুনরাবৃত্তি আর হতে দেওয়া যাবে না মন্তব্য করে গাজী আতাউর রহমান বলেন, বিচার বিভাগকে কার্যকর করতে হবে। আইনকে সক্রিয় হতে হবে। জনপ্রত্যাশাকে সম্মান দেখিয়ে বিদ্যমান আইন ও আইনি ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে হবে।
দলের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ ফজলে বারী মাসউদের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সাকী, লোকমান হোসাইন জাফরী, ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র প্রার্থী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান মুজাহিদ প্রমুখ।