হোম > সারা দেশ > ঢাকা

সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রাস্তার কাজ পাওয়া কন্ট্রাক্টররাও সরে গেছে: ডিএসসিসি প্রশাসক

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

রাজারবাগের মোমিনবাগে রাস্তা ও জনসাধারণের চলাচলের পথ দখলমুক্তকরণ, এলাকা পরিদর্শন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। ছবি: আজকের পত্রিকা

বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন সড়ক মেরামতের জন্য টেন্ডার পাওয়া ঠিকাদারদের অনেকেই কাজ শেষ না করেই ‘সরে গেছেন’ বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

রাজধানীর রাজারবাগের মোমিনবাগে রাস্তা ও জনসাধারণের চলাচলের পথ দখলমুক্তকরণ, এলাকা পরিদর্শন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে আজ বুধবার সকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শেষে এ কথা বলেন আবদুস সালাম।

মো. আবদুস সালাম বলেন, ‘সরকার বদলেছে, কন্ট্রাক্টররাও (ঠিকাদার) বদলেছে। বিভিন্ন জায়গায় আমাদের রাস্তার কাজকর্ম ঠিকমতো হচ্ছে না। এর একটি কারণ হলো, বিগত সরকারের আমলে অনেককে টেন্ডার দেওয়া হয়েছিল, যারা পরবর্তী সময়ে সরকারের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্নভাবে সরে গেছে। কন্ট্রাক্টররাও পরিবর্তিত হয়েছে।’

ডিএসসিসি প্রশাসক অভিযোগ করেন, ‘পরবর্তী পর্যায়ে তাঁদের (ঠিকাদার) সঙ্গে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ ও খোঁজখবর করেও অনেক কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না। আজকে আমরা এমনই একটি রাস্তা দেখছি। এখানে পানি জমে আছে, কাজও হচ্ছে না। এই রাস্তার কাজটি যাতে এখনই বসে অতি দ্রুত শুরু করা যায়, সে ব্যবস্থা আমরা করব।’

ডেঙ্গুর প্রকোপ প্রসঙ্গে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘আমরা সবাইকে অনুরোধ করেছি। আমরা যেহেতু সক্রিয় আছি, আশা করি, অন্তত গতবারের মতো খারাপ অবস্থার দিকে পরিস্থিতি যাবে না।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণের সচেতনতার ওপর নির্ভর করে উল্লেখ আবদুস সালাম বলেন, জনগণ যদি সচেতন হয় এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখে, তাহলে আমরা ৮০ শতাংশ পর্যন্ত এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।

পুরান ঢাকা প্রসঙ্গে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, এখানে অধিকাংশ জায়গায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা অনেক পুরোনো। অনেক জায়গায় ড্রেনেজ সিস্টেম একেবারে অকেজো হয়ে গেছে, ধ্বংস হয়ে গেছে। কাজেই এসব ড্রেনেজ ব্যবস্থা আবার সচল করতে হলে আমাদের নতুন করে কাজ করতে হবে। এ জন্য সময়ও দরকার, অর্থও দরকার।

অভিযানকালে রাস্তায় জমে থাকা পানি অপসারণ ও আশপাশের এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনের পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জমে থাকা পানি ও সম্ভাব্য এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত একটি নির্মাণাধীন ভবনের নিচতলায় পানি জমে থাকার কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।