হোম > সারা দেশ > ঢাকা

শাহজাহানপুরে নিজের গায়ে আগুন দেওয়া সেই গৃহবধূর মৃত্যু

ঢামেক প্রতিনিধি

রাজধানীর শাহজাহানপুরে পারিবারিক কলহের জেরে নিজের গায়ে আগুন দেওয়া অন্তঃসত্ত্বা সেই গৃহবধূ পাপিয়া সারোয়ার মিম (১৭) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। আজ বুধবার ভোর পৌনে ৬টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মিমের শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. আইউব হোসেন। তিনি জানান, ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মীম। সে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

এর আগে গত শনিবার দুপুরে শাহজাহানপুর বাগিচা ঝিল মসজিদ এলাকার একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। মীম ঢাকা সিটি ইন্টারন্যাশনাল কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিল।

ঘটনার দিন তার মা পারভিন আক্তার জানান, তাঁদের বাড়ি কুমিল্লার তিতাস উপজেলায়। স্বামী রাম্মিমের সঙ্গে ওই বাসায় ভাড়া থাকত মীম। একই এলাকায় তারাও থাকেন। তিন বছর আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়।

পারভিন আক্তার অভিযোগ করে বলেন, বেশ কয়েক দিন যাবৎ তাদের সংসারে কলহ শুরু হয়। রাম্মিমের চরিত্র ভালো না। মীম তাকে বিভিন্ন কারণে ভালো হতে বলত। তবে সে মীমকে মানসিকভাবে নির্যাতন করত। সহ্য করতে না পেরে মীম নিজের গায়ে আগুন দিয়েছে।

রাম্মিম এলাকায় একটি ফ্লেক্সিলোডের দোকানে কাজ করেন। ঘটনার দিন তিনি বলেন, ঘটনার আগের রাতে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। তারা দুজন দুজনকে সন্দেহ করত। এসব কারণে জেদ করে সে নিজের গায়ে নিজেই আগুন দিয়েছে।

মেট্রোরেলের কার্ডের রিচার্জ করা যাবে মোবাইল অ্যাপে

মুছাব্বির হত্যা: শুটার জিন্নাতের দায় স্বীকার, তিন আসামি ৭ দিনের রিমান্ডে

অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বনশ্রীর ছাত্রীকে খুন করেন তার বাবার হোটেলের কর্মচারী: র‍্যাব

সন্তানদের অটোপাস চান অভিভাবকেরা, রাজউক কলেজে মানববন্ধন

ব্যবসায়ী আমিরুলের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন ও তাঁর ভাইকে অব্যাহতি

হাদি হত্যার অভিযোগপত্রে আপত্তির বিষয়ে সময় চান বাদী, শুনানি পেছাল ৩ দিন

কুড়িল বিশ্বরোডে রেললাইন থেকে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে হত্যা: নিজেদের হোটেলের কর্মচারী আটক

‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ সাভারে এখনো পোড়ানো হচ্ছে ইট

বিদেশে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে খুন হন মুছাব্বির, পাঠানো হয় ১৫ লাখ টাকা