বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘কুরুচিপূর্ণ ও শিষ্টাচার বিবর্জিত’ মন্তব্যের অভিযোগ এনে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন থেকে শুরু হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
শাখা ছাত্রদলের সভাপতি খোরশেদুল আলম সোহেলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি ইজাজুল কবির রুমেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ, সহসভাপতি মশিউর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক, নাহিদুজ্জামান শিপন, আব্দুর রহিম রনি, মাহমুদ ইসলাম কাজল, কাজী আমজাদ আহমেদ রাজু, মাহফুজুর রহমান, সহসাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও হল শাখার বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী।
সমাবেশে আরিফুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানসিক বিকারগ্রস্ত বলে মন্তব্য করেন। সঞ্চালনায় আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও চিকিৎসা নিয়ে রং হেডেড, মানসিক বিকারগ্রস্ত ফ্যাসিস্ট হাসিনা যে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন, ধিক্কার জানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। রং হেডেড হাসিনা জনগণ থেকে উপেক্ষিত হয়ে, কুক্ষিগত ক্ষমতা হারানোর ভয়ে আজ উন্মাদ হয়ে গেছে, তাই আবোলতাবোল বকছে, তাঁর চিকিৎসা প্রয়োজন। আপনি লাগাম দিন, তামাশা বন্ধ করুন। এখনো সময় আছে, ক্ষমা চেয়ে নিন। অন্যথায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ওই ক্ষমতার মসনদ থেকে আপনাকে টেনে হিঁচড়ে রাস্তায় নামিয়ে নিয়ে আসবে।’
খোরশেদুল আলম সোহেল বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা এবং আপসহীন ব্যক্তিত্বের কারণে শেখ হাসিনা তাঁর প্রতি ঈর্ষাকাতর। দেশনেত্রীকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে তাঁর প্রতি ক্রমাগত কুৎসা রটনা করে যাচ্ছেন। শেখ হাসিনার কথায়, আচরণে স্পষ্ট হয় যে, শেখ পরিবারে শিষ্টাচারের চর্চা কখনোই ছিল না। অন্যদিকে, শেখ হাসিনা স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, দেশনেত্রীর প্রতি ব্যক্তিগত আক্রোশ চরিতার্থ করার জন্যই বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে দেশনেত্রীকে তাঁর ক্যান্টনমেন্ট বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করেছেন। শেখ হাসিনার মতো রুচিহীন ব্যক্তিত্বের একজন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সমগ্র জাতির জন্য লজ্জাজনক।’