হোম > সারা দেশ > ঢাকা

সাভারে নির্জন এলাকায় মিল্টন সমাদ্দারের আশ্রম, মেলেনি ভেতরে ঢোকার অনুমতি

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

ঢাকার সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের কমলাপুর এলাকার বাহেরটেক গ্রাম। পিচঢালাই মূল সড়ক থেকে এবড়োখেবড়ো মাটির সংযোগ সড়কে কিছুটা যেতেই ৬৫ শতাংশ জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে বিতর্কিত মিল্টন সমাদ্দারের ‘চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড কেয়ার এইজ’। বাহেরটেকে প্রায় জনমানবহীন নির্জন এই এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছে ছয়তলা ভবন।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এই প্রতিবেদক সরেজমিন সাভারের চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড কেয়ার এইজে যান। মিল্টন সমাদ্দার গ্রেপ্তারের পর সতর্ক অবস্থানে প্রতিষ্ঠানে কর্তব্যরত ব্যক্তিরা। এ সময় গণমাধ্যমকর্মী পরিচয় দিলেও ভেতরে যাওয়ার অনুমতি মেলেনি। তাই বাইরে থেকেই যতটা সম্ভব জানার চেষ্টা করা হয়েছে। ভবনের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছয়তলা ভবনের নিচতলা স্টাফদের অফিস, ওপরে থাকেন আশ্রিতরা। ভবনের বাইরে একটি টিনশেড ঘর। যা গ্যারেজ ও ক্যানটিন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ভবনের কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই ভবনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে প্রায় দুই মাস আগে। এখানে শিশু-বৃদ্ধ মিলিয়ে ৪০-৫০ জন আশ্রিত আছেন। এই প্রতিষ্ঠানের পেছনে থাকা জমির এক প্রভাবশালী মালিকের সঙ্গে রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে কিছুদিন আগে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। কর্মচারীদের দাবি, সে সময় বিষয়টি এখানে বসেই মীমাংসা করার পরও পরবর্তী সময়ে প্রভাব খাটিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়।

বিরুলিয়া ইউনিয়নের সামাইর গ্রামের বাসিন্দা সাহেব আলী। এই প্রতিষ্ঠানে ছয়তলা ভবনের নির্মাণকাজের সঙ্গে প্রায় তিন বছর ধরে যুক্ত আছেন তিনি। নিয়মিতই এখানে যাওয়া আসা। হঠাৎ করে ওঠা এমন অভিযোগে তিনিও অবাক। তিনি বলেন, ‘আগে তো কোনো দিন এমন কিছু শুনিনি। হঠাৎ ৭ থেকে ১০ দিন ধরে অনেক কথা শুনতেছি। মিল্টন সমাদ্দার এখানে দুই-একদিন পরপরই আসতেন। আমরা চাই এসব বিষয় সুষ্ঠু তদন্ত হোক। ঈদের কয়েক দিন আগে এখানে জমি ও রাস্তা নিয়ে ঝামেলা হয়। আমরা শুনেছি, রাস্তা নিয়ে ধস্তাধস্তি হয়েছে।’

আরও পড়ুন: