হোম > সারা দেশ > ঢাকা

বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ওপর প্রস্তাবিত অগ্রিম আয়কর ও অতিরিক্ত ফি প্রত্যাহারের দাবি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

জাতীয় প্রেসক্লাবে লাইসেন্সধারী বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র মালিক সমিতি বাংলাদেশের সংবাদ সম্মেলন। ছবি: আজকের পত্রিকা

বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সধারীদের ওপর প্রস্তাবিত অগ্রিম আয়কর (এআইটি) ও অতিরিক্ত ফি অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ‘লাইসেন্সধারী বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র মালিক সমিতি বাংলাদেশ’। আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এ দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে লাইসেন্সধারী অস্ত্র মালিক কল্যাণ সমিতি। এ সময় জাতীয় নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা ও ক্রীড়াঙ্গনের স্বার্থে বর্তমান ফি কাঠামো পুনর্বিবেচনা আহ্বান জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে পিস্তল ও রিভলবারের জন্য বার্ষিক ১ লাখ টাকা এবং শটগান ও রাইফেলের জন্য ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর আরোপের সিদ্ধান্ত সাধারণ লাইসেন্সধারীদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর ও অযৌক্তিক। তারা এ সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির আহ্বায়ক আরিফ উল ইসলাম সোহেল বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে নাগরিকদের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জননিরাপত্তার স্বার্থে প্রস্তাবিত কর ও বর্ধিত ফি প্রত্যাহারের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

সংগঠক মো. কামরুদ্দিন রাশেদ বলেন, প্রস্তাবিত কর ও ফি দেশের জন্য ক্ষতিকর হবে। তিনি এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে সংগঠনের মুখপাত্র মাহবুব এ খোদা জুয়েলকে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির মুখপাত্র মাহবুব এ খোদা জুয়েল বিভিন্ন দেশের আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ফি ও নবায়ন ফি’র তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে বলেন, বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল কোনো দেশেই আগ্নেয়াস্ত্রের ওপর অগ্রিম আয়কর আরোপের নজির নেই।

তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে বর্তমানে পিস্তল ও রিভলবারের লাইসেন্স নবায়ন ফি ২০ হাজার টাকা এবং শটগান ও রাইফেলের জন্য ১০ হাজার টাকা, যা ইতিমধ্যেই তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি।

মাহবুব এ খোদা জুয়েল আরও বলেন, প্রস্তাবিত কর কার্যকর হলে তা সাধারণ লাইসেন্সধারীদের জন্য অসহনীয় হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তার ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

তাঁর ভাষ্য, বৈধ অস্ত্রধারীরা অনেক ক্ষেত্রে অপরাধ প্রতিরোধে পরোক্ষ ভূমিকা পালন করেন। অতিরিক্ত করের কারণে যদি মানুষ লাইসেন্সধারী অস্ত্র জমা দিতে বাধ্য হন, তাহলে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে বলে জানান তিনি। এমনকি গ্রামে অনেক লাইসেন্সধারী ব্যক্তি ডাকাতি বা যেকোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে প্রথমে এগিয়ে আসেন বলে দাবি তাঁর।

শুটিং খেলাধুলার প্রসঙ্গ টেনে মাহবুব এ খোদা জুয়েল বলেন, অতিরিক্ত কর আরোপের ফলে সম্ভাবনাময় শুটারদের একটি বড় অংশ নিরুৎসাহিত হতে পারেন, যা দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য ক্ষতিকর হবে।

তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত ফি হওয়ার ফলে শুটিং ক্লাবের সদস্যরা বাধ্য হবেন অস্ত্র জমা দিতে। সেখানে যেমন একদিকে সরকারের রাজস্ব খাত কমে যাবে, তেমনি ক্রীড়াঙ্গনে শুটারের সংখ্যা কমে যাবে, তাঁরা নিরুৎসাহিত হবেন।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো— বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সধারীদের ওপর প্রস্তাবিত অগ্রিম আয়কর ও অতিরিক্ত ফি প্রত্যাহার, যোগ্য নাগরিকদের জন্য লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন প্রক্রিয়া সহজ করা এবং লাইসেন্সধারীদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবসম্মত ও নিরাপত্তা বান্ধব ফি কাঠামো প্রণয়ন।

সংগঠনের নেতারা দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা, গ্রামীণ জনপদের সুরক্ষা এবং শুটিং ক্রীড়ার স্বার্থে সরকারের কাছে প্রস্তাবিত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।

এবার ব্যবসায়ী হত্যা মামলায়ও জামিন পেলেন আবুল বারকাত

আশুরার মিছিলে অস্ত্র ও আতশবাজি নিষিদ্ধ: ডিএমপি

জাবিতে জুলাই হামলায় অভিযুক্ত ১৯ শিক্ষকের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, বাধ্যতামূলক অবসরে ১

তেজগাঁওয়ে পোশাকশ্রমিকদের দুই ঘণ্টা সড়ক অবরোধ

​রাজধানীর শনির আখড়ায় বাসের ধাক্কায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

কামরাঙ্গীরচরে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে দেশে ফিরলেন আরও ৫২

আশুলিয়ায় মেয়েকে পাঁচ মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার

ঢাকার চার বাস টার্মিনাল দ্রুত শহরের বাইরে সরানোর নির্দেশ

নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করায় সরকারের প্রতি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের কৃতজ্ঞতা