হোম > সারা দেশ > টাঙ্গাইল

মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা: হাইকোর্টে তথ্য গোপন করে জামিনে মুক্ত সহিদুর 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

টাঙ্গাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার আসামি সহিদুর রহমান খান (মুক্তি) হাইকোর্টে তথ্য গোপন করে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ২০ নভেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ থেকে তিনি জামিন পান। ওই আদেশ কারাগারে পৌঁছালে আজ বুধবার তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ২০ নভেম্বরের হাইকোর্টের জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় খাস কামরায় শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়। কিন্তু তার এক দিন আগেই মুক্তি পেয়েছেন সহিদুর।

আজ বুধবার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘হাইকোর্টে করা জামিন আবেদনে আপিল বিভাগের আদেশ গোপন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আবেদনে নাম পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে সহিদুল রহমান খান। জেলা দেখানো হয়েছে ঢাকা। এ ছাড়া দেওয়া হয়নি টেন্ডার নম্বরও।’

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর গতকাল মঙ্গলবার রাতে কারাগারের জেলারকে ফোন করে বলেছিলাম, চেম্বার আদালতে যাব। তাঁকে (সহিদুর) যেন ছাড়া না হয়। এরপরও আজ (বুধবার) দুপুরে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। এই বিষয়ে চেম্বার আদালতে বৃহস্পতিবার শুনানি হবে।’

এর আগে সহিদুর রহমান খান হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে জামিন আবেদন বিচারাধীন থাকার তথ্য গোপন করে আরেকটি বেঞ্চে আবেদন করেছিলেন। বিষয়টি নজরে আনার পর আদালত জামিন আবেদন সরাসরি খারিজ করে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আবেদন করেছিলেন মুক্তি। চেম্বার আদালত আবেদনটি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠান।

পরে আপিল বিভাগ গত ২৭ আগস্ট মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার বিচারকাজ ছয় মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেন। আপিল বিভাগের নির্দেশনা গোপন করে ২০ নভেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ থেকে সহিদুর রহমান খান মুক্তি জামিন পান। ওই আদেশ কারাগারে পৌঁছালে বুধবার তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।

সহিদুর রহমান এই মামলার অন্য আসামি টাঙ্গাইল-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই। তাঁর বাবা আতাউর রহমান খান একই আসনের সংসদ সদস্য। দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর নিহতের স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তাঁর অন্য তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

৯৯৯-এ ফোন করে স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ ঢাকায় কর্মরত পাকিস্তানি নাগরিকের

ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার, চারজন গ্রেপ্তার

মিরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন

ইভ্যালির রাসেল-শামীমা কারাগারে

জুলাই অভ্যুত্থানে আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর রায় যেকোনো দিন

সেই ৪০০ কোটির পিয়ন জাহাঙ্গীরের ফ্ল্যাট-জমি ক্রোক, স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

হাদি হত্যা: অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পেছাল

সাভারে ‘ভোটের রিকশা’র উদ্বোধন করলেন রিজওয়ানা হাসান

সর্বোচ্চ ভাড়া বাড়ির দামের ১৫ শতাংশ, দুই বছরের আগে বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নির্দেশনা

ইভ্যালির রাসেল-শামীমা ফের গ্রেপ্তার, ৩৯১ পরোয়ানার তথ্য পুলিশের হাতে