হোম > সারা দেশ > ঢাকা

চাঁদা না পেয়ে মোহাম্মদপুরে আবার সেই ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

‎রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শেরশাহ সুরী রোডে মনির আহমেদ নামের এক আবাসন ব্যবসায়ীর বাড়িতে আবার গুলি করেছে সন্ত্রাসীরা। গতকাল সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। এর আগে গত ২৪ মার্চ ওই বাড়িতে গুলির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ওই ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন মনিরুল। সেই মামলায় একজনকে গ্রেপ্তারও করে থানা-পুলিশ।

আজ সোমবার সন্ধ্যায় ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজ বেলা ২টার পর আমার বাসার গেটের সামনে একটি মোটরসাইকেলে করে দুজন লোক আসে। তাদের মধ্যে একজন গেটের ভেতরে ঢোকে। তাকে দেখে বাসার দারোয়ান পালিয়ে যেতে চাইলে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তবে গুলিটি দারোয়ানের শরীরে না লেগে নিচতলার একটি দরজার পাশের দেয়ালে বিদ্ধ হয়।’

মনির বলেন, গত মার্চে স্থানীয় এক সন্ত্রাসীর নামে বিদেশি একটি মোবাইল নম্বর থেকে চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দেওয়ায় গত ২৪ মার্চ বাসার নিচতলায় গুলি করে সন্ত্রাসীরা। ওই ঘটনায় মামলা হলে একজনকে গ্রেপ্তারও করে পুলিশ। ওই ঘটনার জেরেই আবার গুলি করেছে সন্ত্রাসীরা।

এ বিষয়ে জানতে মোহাম্মদপুর থানার ওসি আলী ইফতেখার হাসানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সাড়া দেননি তিনি।

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, মোহাম্মদপুরের শেরশাহ সুরী রোডে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলির ঘটনা ঘটেছে। এর আগেও ওই বাড়িতে গুলির ঘটনায় মামলা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।

৯৯৯-এ ফোন করে স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ ঢাকায় কর্মরত পাকিস্তানি নাগরিকের

ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার, চারজন গ্রেপ্তার

মিরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন

ইভ্যালির রাসেল-শামীমা কারাগারে

জুলাই অভ্যুত্থানে আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর রায় যেকোনো দিন

সেই ৪০০ কোটির পিয়ন জাহাঙ্গীরের ফ্ল্যাট-জমি ক্রোক, স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

হাদি হত্যা: অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পেছাল

সাভারে ‘ভোটের রিকশা’র উদ্বোধন করলেন রিজওয়ানা হাসান

সর্বোচ্চ ভাড়া বাড়ির দামের ১৫ শতাংশ, দুই বছরের আগে বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নির্দেশনা

ইভ্যালির রাসেল-শামীমা ফের গ্রেপ্তার, ৩৯১ পরোয়ানার তথ্য পুলিশের হাতে