হোম > সারা দেশ > ঢাকা

বেইলি রোডে আগুন লাগা ভবনে আটকা পড়েছিলেন অধ্যাপক কামরুজ্জামান 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর বেইলি রোডে একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ঘটনায় যারা আটকে পড়েছিলেন তাদের মধ্যে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কামরুজ্জামান মজুমদারও ছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর তিনি তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘আমি পরিবারসহ বেইলী রোডে অগ্নিকান্ডে আটকা পড়েছি। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’ 

পরে আবারও পোস্টে লেখেন, ‘আমরা এখনো মারা যাইনি, ছাদে আছি। আল্লাহ আমাদের সাহায্য করবেন ইনশাআল্লাহ। কল নয়, দোয়া করুন।’ 

পরে আবারও পোস্টে লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। স্ত্রী ও সন্তানদেরসহ আমরা ভবন থেকে নেমেছি। আমরা ছাদে ছিলাম।’  

জানা গেছে, বেইলি রোডে বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নয়জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ অগ্নাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। 
 
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘২০ জনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়। এদের মধ্যে ৯ জন মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে সাতজন নারী ও দুজন পুরুষ রয়েছেন।’ 

আগুন লাগা ভবনটিতে বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে। ভবনে আটকা পড়াদের খোঁজে ভিড় করছেন স্বজনেরা। 

মুক্তা দাস নামে এক নারী আজকের পত্রিকাকে বলেন, সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাঁর খালাতো বোন পরিবার নিয়ে ভবনের তৃতীয় তলায় কেএফসিতে এসেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না, ফোন বন্ধ রয়েছে। খালাতো বোন ও ভাগনি নিখোঁজ রয়েছেন। 

মুক্তা দাসের মতো এমন অনেকেই স্বজনদের খোঁজে বহুতল ভবনের নিচে ভিড় করছেন। অনেকে ছবি হাতে স্বজনদের খুঁজছেন।

শাহজালাল বিমানবন্দরে উদ্বেগ-হতাশায় অপেক্ষা যাত্রীদের

বিমানবন্দরে এসে জানলেন ভিসা-টিকিট সবই জাল, কান্নায় ভেঙে পড়লেন যাত্রী

মোহাম্মদপুরে গ্যারেজে প্রাইভেট কারের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৮

‘তার আচরণ ভালো লাগেনি’—আদালতকে আসামি শাহিন

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, চরম ভোগান্তি

রাজধানীর সায়েদাবাদে মাদক কারবারিদের গুলিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আহত

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালকের মৃত্যু

রাজধানীর কদমতলীতে ট্রাকচাপায় কিশোর নিহত

‘বনি ইসরায়েল উত্থান-পতন’

মাসব্যাপী মশা মারবে ডিএসসিসি