হোম > সারা দেশ > কুমিল্লা

অনিয়ম–স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১০ ইউপি সদস্যের অনাস্থা

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 

অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল হাই। ছবি: সংগৃহীত

অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ২ নম্বর উজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে ওই পরিষদের ১০ সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর উপজেলার ২ নম্বর উজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগ মনোনীত নির্বাচিত চেয়ারম্যান নাইমুল ইসলাম মজুমদার আত্মগোপনে চলে যান। এরপর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ওই ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য আবদুল হাইকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেয়।

গতকাল রোববার বিকেলে ওই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সিরাজুল ইসলাম, মামুনুর রশিদ, আবদুর রহমান, মো. সোহেল মিয়া, মো. লতিফ, নূরুল আলম মজুমদার, নূরুন নাহার, হাসিনা বেগম ও আমেনা বেগমসহ ১০ জন সদস্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে লিখিত অনাস্থা প্রস্তাব দেন।

অনাস্থা প্রস্তাবে তাঁরা উল্লেখ করেন, ইউনিয়ন পরিষদ আইন অনুযায়ী বছরে ১২টি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ন্যূনতম ৯টি সভা করার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল হাই কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়াই ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে কোনো ধরনের সভা করেননি। তাঁকে সভা করার অনুরোধ করা হলেও তিনি ইউপি সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণ ও দুর্ব্যবহার করেন।

অনাস্থা প্রস্তাবে আরও উল্লেখ করা হয়, সরকারি বিধি লঙ্ঘন করে ও স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে চেয়ারম্যান আবদুল হাই টিআর, কাবিখা, কাবিটা, এডিপি, উপজেলা উন্নয়ন তহবিল এবং ইউপি উন্নয়ন সহায়ক ১ শতাংশ বরাদ্দ নিজের ইচ্ছেমতো ব্যয় করছেন।

অভিযোগে অনাস্থা প্রস্তাবকারীরা আরও বলেন, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন–২০০৯ অনুযায়ী ইউপির নিজস্ব তহবিলের অর্থ পরিষদকে অবহিত করে ব্যয় করার বিধান থাকলেও তিনি তা মানেননি। বাজেট, উন্নয়ন প্রকল্প এবং সব ধরনের অফিসিয়াল হিসাব-নিকাশ নিয়ম অনুযায়ী পরিষদের সদস্যদের দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি তা সম্পূর্ণ গোপন রেখেছেন। বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

অনাস্থার বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল হাই বলেন, ‘যারা আজ আমাকে অনাস্থা দিয়েছে, ৫ আগস্টের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তাদের কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তারা সবাই আত্মগোপনে ছিলেন। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর তাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়ে পরিষদের কাজে সম্পৃক্ত করেছি।’ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি বিধি মোতাবেক ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সরকার তদন্ত করলেই অনিয়মের বিষয়টি বেরিয়ে আসবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, “উজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একটি অনাস্থা প্রস্তাব পেয়েছি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ”

কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ৪৫ জন আটক

খুদে ফুটবলারদের সঙ্গে আনন্দে মাতলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

চৌদ্দগ্রামে বিকল ট্রাকের পেছনে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কা, চালক নিহত

এইচআইভি সংক্রমণে ৫ মাসে ৭ জনের মৃত্যু

কুমিল্লায় বাস-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩

সরকার জনসমর্থন হারাতে শুরু করেছে: আসিফ মাহমুদ

যাত্রীবাহী বাসের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, চালকসহ দুজন নিহত

দাউদকান্দিতে বেপরোয়া গতির কারণে উল্টে গেল বাস, আহত ২১

ভগ্নিপতিকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে শ্যালকের মৃত্যু, আশঙ্কাজনক পরিবারের ৪ সদস্য

কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, সালিসে মীমাংসার চেষ্টা