হোম > সারা দেশ > কুমিল্লা

চাঁদার দাবিতে ব্যবসায়ীকে আটক ও নির্যাতন, গ্রেপ্তার ২

প্রতিনিধি (কুমিল্লা) চৌদ্দগ্রাম

চাঁদার দাবিতে ব্যবসায়ীকে আটক ও নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার দুই বখাটে। ছবিঃ আজকের পত্রিকা

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে এক ফল ব্যবসায়ীকে আটক করে ৫০ হাজার টাকা চাঁদার দাবিতে দিনভর নির্যাতন চালিয়েছে একদল বখাটে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো. এয়াছিন (৪০) নামে ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। এয়াছিন ফেনী সদর এলাকার অলুকিয়া গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে চৌদ্দগ্রাম বাজারে ফলের ব্যবসা করে আসছেন।

ব্যবসায়ীকে উদ্ধার ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের তথ্যটি আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মাহমুদ কায়সার হোসেন। গ্রেপ্তাররা হলেন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে জিল্লুর রহমান (৩০) ও পূর্ব চান্দিশকরা গ্রামের মৃত জাফর মিয়ার ছেলে সোহাগ প্রকাশ মুন্না (২৭)।

এর আগে বুধবার রাতে থানা থেকে ২০০ গজের মধ্যে একটি পরিত্যক্ত স্কুল ভবনে ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। এ ঘটনায় এয়াছিন বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। মামলায় এয়াছিন উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে চৌদ্দগ্রাম বাজারে ফুটপাতে ফল ব্যবসা করে আসছেন। জিল্লুর রহমান ও সোহাগ প্রকাশ মুন্নাসহ তাদের অপর সহযোগীরা চৌদ্দগ্রাম বাজারে বিভিন্ন পরিবহন থেকে চাঁদা আদায় করত। এই সুবাদে তাদের সঙ্গে চেনাজানা ছিল। গত বুধবার দুপুরে জিল্লুর রহমান তার মোবাইল ফোনে কল দিয়ে তাকে ২০০ টাকা ধার দিতে বলে।

তিনি টাকা ধার দিতে রাজি হলে কৌশলে তাকে চৌদ্দগ্রাম থানা থেকে ২’শ গজ দূরে পারাবত স্কুলের সামনে গিয়ে টাকা পৌঁছে দিতে অনুরোধ করে। তিনি সরল বিশ্বাসে সেখানে গেলে জিল্লুর ও মুন্নাসহ আরও ৩ জন মিলে তাকে জোরপূর্বক স্কুলের একটি পরিত্যক্ত কক্ষে নিয়ে আটক করে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন শুরু হয়। দিনভর তারা তাকে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, নির্যাতনের একপর্যায়ে অজ্ঞান হয়ে পড়লে তারা তাকে রেখে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর আমার জ্ঞান ফিরলে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু স্কুল গেটের সামনে তারা তাকে ধরে আবারও মারধর শুরু করে। এ সময়ে তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন থানা-পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে স্থানীয় জনতার সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে এবং জিল্লুর ও মুন্নাকে আটক করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রাহিম (২৬), মনির (২৫) ও টুটুল (৩০) পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মাহমুদ কায়সার হোসেন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ব্যবসায়ীকে উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ২ জন গ্রেপ্তার করেছে। পালিয়ে যাওয়া অপর ৩ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কুমিল্লায় হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

কুমিল্লার তিতাসে হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা

কুমিল্লার তাহমিনা বেগম চৌধুরী পেলেন ‘রত্নগর্ভা মা’ অ্যাওয়ার্ড

প্রথম বেতনের অর্থে বেদে সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিলেন হাসনাত

আগুন নেভালেও শিকলবন্দী আনিসকে উদ্ধার করেনি কেউ

কুমিল্লায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে শিকলবন্দী মানসিক প্রতিবন্ধীর মৃত্যু

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যারিকেড দিয়ে ১০ গরুবোঝাই ট্রাক লুট

‘সাত টুকরা’ করার হুমকি, কৃষকের বাড়িতে ডাকযোগে কাফনের কাপড়

কুবির ভিসি-কোষাধ্যক্ষের পদত্যাগসহ ৯ দফা দাবি ছাত্রদলের

কুমিল্লায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা