আনোয়ারার ৪৪টি এবং কর্ণফুলীর ২২টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রতীকের প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজাম পেয়েছেন ৭০ হাজার ৩১৪ ভোট। এর মধ্যে আনোয়ারার ৪৬ হাজার ৩৮ভোট এবং কর্ণফুলীর ২৪ হাজার ২৭৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সুন্নি জোটের প্রার্থী মোমবাতি প্রতীকের এসএম শাহজাহান ২৭ হাজার ৯৭৭ ভোট পেয়েছেন।
সব মিলিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজাম ও গণভোটে আনোয়ারায় ‘না’ এগিয়ে।
এ ছাড়া, ১১ দলীয় জোট জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী পেয়েছেন ১৮ হাজার ১৮৭ ভোট, জাতীয় পার্টি (লাঙল) আব্দুর রব চৌধুরী ২৯৯, গণ অধিকার পরিষদের (ট্রাক) মুজিবুর রহমান ৩০, এমডিএম (সিংহ) মো. এমরান চৌধুরী ২০৪, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ (আপেল) মু. রেজাউল মোস্তফা ১৬৬ ভোট।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসন
ফটিকছড়ি আসনে ১৪০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৭টি কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশ করেছে উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। এতে বিএনপি প্রার্থী সরওয়ার আলমগীর ধানের শীষের প্রতীকে ৬২ হাজার ২০০ ভোট পেয়ে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমিন পেয়েছেন ২৮ হাজার ৭৭৩ ভোট।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও চট্টগ্রাম নগরের আংশিক) আসন
আসনটিতে সর্বশেষ প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৬২২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াত প্রার্থী পেয়েছেন ২৩ হাজার ৯৩৬ ভোট।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া)
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে সহকারী রিটার্নিং কার্যালয়ের প্রাথমিকভাবে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, আসনটি ১১৩ টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৭৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ এনামুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৯৬৫ ভোট।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোমবাতি প্রতীকের ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী পেয়েছেন ১৭ হাজার ৭৪৪ ভোট এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াত প্রার্থী পেয়েছে ১২ হাজার ৯৮০ ভোট। এই আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৫ জন। এই আসনে বাকি ৩৭ টি আসনে ভোট গণনা চলছে।
চট্টগ্রাম-৯ আসন
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের তথ্য অনুসারে, মহানগরীর চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে ১২১ টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৮ টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশ করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। এতে ধানের শীষে বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান ৩০ হাজার ৩৩৮ ভোট পেয়ে বিপুল ভোটে এগিয়ে আছেন। জামায়াতের প্রার্থী ডা. একেএম ফজলুল হক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ৯৯৮ ভোট।
চট্টগ্রাম ১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক)
এই আসনে ৩৪২৬ ভোটে ধানের শীষ এগিয়ে রয়েছে। এখানে ধানের শীষ প্রতীক ৩৯ হাজার ৪২৩ ও ১১ দলীয় জোটের ছাতা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৯৭ ভোট। এই আসনের ১০০ কেন্দ্রের মধ্যে এখনো পর্যন্ত ৫৬ টি কেন্দ্রের ফলাফলে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসার।
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া)
এই আসনের সাতকানিয়ার-লোহাগাড়ার ৯০ কেন্দ্রের মধ্যে ৪২ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষিত হয়েছে। এর মধ্যে দাঁড়িপাল্লা ৪৪ হাজার ১১২ ভোট ও ধানের শীষ ২৭৩৬৬ ভোট পেয়েছে। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বিষয়টি জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম-৫ ( হাটহাজারী )
এই আসনের ১৪৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭০ কেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষ পেয়েছে ৭৭ হাজার ২৮ এবং ১১ দলীয় জোটের রিকশা পেয়েছে ২১ হাজার ৯৫১ ভোট। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সূত্রে প্রাপ্ত ফলাফলে এই তথ্য এসেছে।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী)
এই আসনের ১৫ ইউনিয়নের ১১২ কেন্দ্রের মধ্যে ৩০ কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোটের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা ২১ হাজার ৯৩৬ ও ধানের শীষের প্রার্থী ২১ হাজার ৭৩১ ভোটে পিছিয়ে রয়েছে।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন
এই আসনে মোট ৯৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ৫৭টি কেন্দ্রের প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপি প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ৬৪ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোমবাতি প্রতীকে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী ১৫ হাজার ৩৭৪ ভোট পেয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াত প্রার্থী পেয়েছেন ১১ হাজার ৫৮৫ ভোট।