চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ বিদ্যুৎ ভবনে দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মী নিয়োগকে কেন্দ্র করে সিবিএ-সংশ্লিষ্ট ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দলের বিরুদ্ধে প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা এবং হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার ঘটনার ভিডিও প্রকাশের পর সৃষ্ট আলোচনার মধ্যে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে চার কর্মচারীকে তাৎক্ষণিক বদলি করে কর্তৃপক্ষ।
বদলি হওয়া চার কর্মচারী হলেন মো. হাফেজ, নুর নবী, শফিকুল ইসলাম ও মো. আইয়ুব। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী নিলুফা ইয়াসমিন।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, গতকাল বেলা ১টা ৪০ মিনিট থেকে ২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত নির্বাহী প্রকৌশলী নিলুফা ইয়াসমিনের অফিসকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, সিবিএর বর্তমান ও সাবেক মিলে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল অফিসকক্ষে প্রবেশ করে তীব্র বাগ্বিতণ্ডায় জড়ায়। পরে অফিসের বাইরে গলিতেও মারামারির ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে বলা হয়, পুরো ঘটনায় নেতৃত্ব দেন সম্প্রতি অবসরে যাওয়া গাজী মো. আইয়ুব। প্রকাশিত ৫০ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে গাজী মো. আইয়ুবকে সহকারী প্রকৌশলী মেহেদী হাসানকে থাপ্পড় দিতে দেখা যায়।
ঘটনায় মারধর ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন প্রকৌশলী মেহেদী হাসান ও নিলুফা ইয়াসমিন, কর্মকর্তা মো. পারভেজসহ আরও কয়েকজন।
নির্বাহী প্রকৌশলী নিলুফা ইয়াসমিন বলেন, ‘দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে আমার অফিসে একজন কর্মী নিয়োগকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা। এ ক্ষেত্রে সিবিএ নেতাদের পছন্দের লোক কেন নিয়োগ দেওয়া হয়নি, তার জন্য তাদের ২০ থেকে ২৫ জনের একটি গ্রুপ প্রথমে আমার অফিস রুমে প্রবেশ করে তীব্র বিতণ্ডা শুরু করে। আমাদের মারধরের ঘটনা ঘটায়।’
নিলুফা ইয়াসমিন জানান, এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে চারজনকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সিবিএর সাবেক নেতা গাজী মো. আইয়ুবের বক্তব্য জানতে কয়েক দফা ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি এ এম নাজিম উদ্দিন জানান, ঘটনাটি এখনো তাঁর নজরে আসেনি। একই সঙ্গে দোষী যে-ই হোন, তাঁর বা তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।