চট্টগ্রামে বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ এনে এক আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক নারী। গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে নগরের কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এই মামলা করা হয়।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফতাব উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(খ) ধারায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারী। মামলাটির তদন্ত শুরু হয়েছে।
৪০ বছর বয়সী ওই নারী চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ থানার শেরশাহ বাংলাবাজার এলাকায় স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছেন।
অভিযুক্ত ওই আইনজীবী হলেন জুয়েল দাস (৪৩)। তিনি চট্টগ্রাম আদালতে কর্মরত আছেন। বাসা কোতোয়ালি থানাধীন আন্দরকিল্লা এলাকায়।
মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করেছেন, ২০২৫ সালে জুন মাসে বাদীর সঙ্গে জুয়েল দাসের আদালতে পরিচয় হয় এবং পরে উভয়ের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিভিন্ন সময় তাঁদের মধ্যে মোবাইলে কথাবার্তা হতো।
একপর্যায়ে জুয়েল তাঁকে প্রেমের প্রস্তাব দেন, কিন্তু তিনি ভিন্ন ধর্মালম্বী হওয়ায় তা প্রত্যাখ্যান করলে জুয়েল ধর্মান্তরিত হয়ে বাদীকে বিয়ে করার প্রলোভন দেখান।
জুয়েলের অনুরোধে গত ৯ ডিসেম্বর নন্দনকাননে অবস্থিত পুলিশ প্লাজায় তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান ভুক্তভোগী নারী। একপর্যায়ে ওই নারীকে ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখান জুয়েল। বাদীর সরল বিশ্বাসের সুযোগে সেখানে একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষে নিয়ে গিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।
এরপর বিভিন্ন সময় বাদী বিয়ের জন্য চাপ দিলে অভিযুক্ত জুয়েল দাস তাঁকে এড়িয়ে চলতে থাকেন। একসময় তাঁকে বিয়ে করতে পারবেন না বলে কোনো যোগাযোগ না করার জন্য বলেন অভিযুক্ত আইনজীবী।