হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

হত্যার হুমকি পাওয়া চট্টগ্রামের সেই ব্যবসায়ী র‍্যাবের জালে, ফাঁসানোর দাবি স্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে হত্যার হুমকি পাওয়া ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদকে ধরিয়ে দেওয়া ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ সুলতান ইকরামকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। গতকাল মঙ্গলবার নগরীর বায়েজিদ থানা এলাকার লিংক রোড থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচটি ম্যাগাজিন ও ৫৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

আজ বুধবার নগরীর বহদ্দারহাটে র‍্যাব-৭-এর চান্দগাঁও ক্যাম্পে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

তবে ঘটনার পর রাতে ইকরামের স্ত্রী রুমা আক্তার ফেসবুক লাইভে এসে জানান, তাঁর স্বামী সম্পূর্ণ নির্দোষ। বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলী খান প্রশাসনকে ম্যানেজ করে তাঁর স্বামীকে মিথ্যা অস্ত্র দিয়ে ফাঁসিয়েছেন। এ ছাড়া র‍্যাব সদস্যরা বাসায় ঢুকে জিনিসপত্র তছনছ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৭-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, ‘অস্ত্র কেনাবেচার’ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইকরামকে আরেফিন নগর এলাকার বায়েজিদ লিংক রোড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তাঁর গাড়িচালক আবুল আজাদকেও আটক করা হয়। পরে ইকরামের কাছ থেকে ৭ পয়েন্ট ৬৫ বোরের দুটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচটি ম্যাগাজিন ও ৫৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয় বলে জানান তিনি।

র‍্যাব অধিনায়ক বলেন, ইকরাম চট্টগ্রামের সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছিরের অনুসারী ছিলেন। চট্টগ্রামের স্কুলছাত্রী তাসফিয়া হত্যা মামলার আসামি হওয়ার পর তিনি পালিয়ে ভারত হয়ে দুবাই চলে যান। সেখানে গিয়ে সন্ত্রাসী সরোয়ার বাবলার সঙ্গে সখ্যতা হয়, যিনি গত নভেম্বরে বায়েজিদ চালিতাতলী এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন। ইকরাম বিদেশে পালিয়ে থাকা তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদ গ্রুপের হয়েও কাজ করতেন বলে জানান এই র‍্যাব কর্মকর্তা।

এর আগে র‍্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইকরাম মধ্যপ্রাচ্যে পালিয়ে থেকে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী, অক্সিজেন ও মুরাদপুর এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করতেন। একসময় ‘রিচ কিডস’ নামের একটি ‘কিশোর গ্যাং’ পরিচালনা করতেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৫ মার্চ রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স থেকে চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ইকরাম ও তাঁর স্ত্রী রুমা আক্তার স্মৃতির বিরুদ্ধে সাজ্জাদকে ধরতে সহায়তা করার অভিযোগ করে আসছেন তাঁর অনুসারীরা। পরে একাধিকবার হুমকি দেওয়া হয় এই দম্পতিকে।

হুমকির ঘটনায় সেই বছরের ২০ মার্চ পাঁচলাইশ থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় ছোট সাজ্জাদের স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্না, বড় সাজ্জাদ, হাবিব খান, রায়হান, হেলাল, হাসান, আরমান ওরফে ডবল হাজারি, ইমন, বোরহান, রাজু, মোহাম্মদ, দিদারসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়।

এ ছাড়া গত বছরের ১৪ নভেম্বর হোয়াটস অ্যাপে ফোন ও এসএমএসের মাধ্যমে ইকরামকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে জোড়া খুনসহ একাধিক হত্যা মামলার আসামি সন্ত্রাসী রায়হানের বিরুদ্ধে। ইকরামের অভিযোগ, সন্ত্রাসী রায়হান তাঁকে বলেছিলেন—‘তোকে গুলি করে মারব না, ব্লেড দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারব। তোর মামলার এক নম্বর আসামি হব আমি। শেষ খানা খাই ল।’

মিরসরাইয়ে প্রহরীকে বেঁধে খামারের ৪০টি ছাগল লুট

বন্ড সুবিধায় টাইলসের কাঁচামাল আমদানি: ৩৮ কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে দুদকের মামলা

নতুন মন্ত্রিসভা: প্রতিনিধিত্ব কম, চট্টগ্রামে ক্ষোভ

শিবচতুর্দশী মেলা: চন্দ্রনাথ ধামে পুণ্যার্থীর ঢল

চট্টগ্রামের আদালত: ডাকে সাড়া নেই পুলিশ সাক্ষীদের

স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ

চট্টগ্রামে হোটেল থেকে নারীসহ আটক ১০

লক্ষ্মীপুরে অটোচালক হত্যা, চার আসামি গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম ওয়াসার কক্ষ দখল করে শ্রমিক দলের অফিস বানানোর অভিযোগ

সাতকানিয়ায় কৃষকের ৩ শতাধিক সূর্যমুখী ফুলের গাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা