সাধারণত মঞ্চে প্রথম সারির নেতারা থাকেন। কিন্তু বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে করা সমাবেশের মঞ্চে ছিলেন শতাধিক নেতা-কর্মী। কেন্দ্রীয় তো আছেই, নগর, উত্তর, দক্ষিণ বিএনপি ছাড়াও যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের ভারে মঞ্চের এক পাশ ভেঙেই পড়ে। পরে ভাঙা মঞ্চে দাঁড়িয়েই নেতারা বক্তব্য দেন। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
আজ মঙ্গলবার বেলা দুইটা থেকে শুরু হয় এই সমাবেশ। বাকলিয়ার কালামিয়া বাজার এলাকার কেবি কনভেনশন হলে এ ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগে থেকেই বিএনপির বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীরা মঞ্চে উঠতে রীতিমতো প্রতিযোগিতায় নামেন। বেলা তিনটার দিকে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাহেদ বক্তব্য দেন। ওই সময় এ মঞ্চ ভেঙে যায়। এতে হুড়োহুড়ি করতে দেখা গেছে নেতা-কর্মীদের।
এ সময় মঞ্চে ছিলেন বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, চট্টগ্রাম নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্কর প্রমুখ।
মঞ্চ ভেঙে যাওয়ার পরও ভাঙা মঞ্চে দাঁড়িয়ে মোহাম্মদ সাহেদ বক্তব্য দেন। তবে মঞ্চ ভাঙার সময় প্রধান অতিথি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন অনুষ্ঠানস্থলে ছিলেন না। মঞ্চ ভেঙে যাওয়ার প্রায় ২০ মিনিট পর তিনি সমাবেশে যোগ দেন।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের।