চাঁদপুরের মতলব উত্তরের আদুরভিটি বোর্ড স্কুল থেকে দেওয়ানজি কান্দি পর্যন্ত সড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই গত দুই-তিন মাস ধরে সড়ক উন্নয়নের কাজ করছে পৌর কর্তৃপক্ষ। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য এক কিলোমিটার সড়কটি প্রশস্ত করা হলেও সড়কের মাঝখানে থাকা হাই ভোল্টেজ বিদ্যুতের খুঁটি থেকে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বোর্ড স্কুল থেকে দেওয়ানজি কান্দি পর্যন্ত সড়ক প্রশস্ত করার ফলে ১১ হাজার ভোল্টেজ-সম্পন্ন বিদ্যুৎ সংযোগের বৈদ্যুতিক খুঁটি মাঝখানে পড়েছে। সড়কটি নির্মাণকাজের বক্স-কাটিং শেষে ইটের খোয়া ফেলে সেগুলো রোলার দিয়ে সমান করার (ডব্লিউভিএম) কাজ শেষ করা হয়েছে। এটি পৌরসভার প্রধান সড়ক হওয়ায় প্রতিনিয়ত যানবাহনের চাপ থাকে। সড়কের মাঝখানে খুঁটি থাকায় যানজটও তৈরি হচ্ছে। এ কারণে মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনাও ঘটছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
চাঁদপুর পল্লিবিদ্যুৎ সমিতি-২-এর মতলব উত্তর জোনাল অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বৈদ্যুতিক খুঁটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সেচকাজের জন্য কালিপুর পাম্প হাউসের বিদ্যুতের কাজে ব্যবহৃত হয়। এটির খুঁটি সরানো পল্লিবিদ্যুতের কাজ নয়।
এ ব্যাপারে অটোরিকশাচালক লতিফ বলেন, আগে সড়ক ছোট ছিল। তখন বিদ্যুতের খুঁটি সড়কের পাশে থাকায় চলাচলে তেমন কোনো অসুবিধা হয়নি। কিন্তু এখন সড়ক বড় করায় বিদ্যুতের খুঁটি একেবারে রাস্তার মাঝখানে চলে এসেছে। বিদ্যুতের খুঁটিগুলো তাড়াতাড়ি সরানো প্রয়োজন। না হলে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।
ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সড়কের প্রায় অর্ধেকজুড়ে বিদ্যুতের খুঁটি রয়েছে। খুঁটি রেখেই সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ চলছে। ফলে যানবাহন চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। খুঁটি দ্রুত অপসারণ করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে ছেংগারচর পৌরসভার সচিব আবু সুফিয়ান খান বলেন, সড়কের কাজ চলমান। বিদ্যুতের খুঁটি সড়ক থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য আবেদন করা হয়েছে। খুঁটি অপসারণের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।