সীমান্ত জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সম্ভাব্য পুশ ইন, মাদক পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তজুড়ে বাড়তি টহল ও নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
জেলার আখাউড়া, কসবা ও বিজয়নগর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এবং সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। সীমান্ত পথে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক বা চোরাচালানি পণ্য দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল কার্যক্রম আরও জোরদার হয়েছে। সন্দেহজনক ব্যক্তিদের গতিবিধি নজরদারির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হচ্ছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনগণও সহযোগিতা করছেন।
সরাইল ব্যাটালিয়নের (২৫ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহমেদ বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য পুশ ইনের শঙ্কা মাথায় রেখে সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অতিরিক্ত টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। মাদক ও চোরাচালান রোধেও আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। প্রতিটি ক্যাম্পের সদস্যরা দিন-রাত দায়িত্ব পালন করছেন।
এ বিষয়ে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের (৬০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি এবং টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।’
বিজিবির কর্মকর্তারা জানান, সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে তাদের নজরদারি ও নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।