বগুড়ায় প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে এক ব্যক্তি মারা গেছেন। আজ শনিবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত ব্যক্তির নাম নাজমুল হোসেন খান রুপক (৪০)। তিনি দুপচাঁচিয়ার তালোড়া মন্ডলপাড়া এলাকার আমানত হোসেন খানের ছেলে। তিনি একটি কোম্পানির আদমদীঘি থানার মুরইল শাখায় সেলসম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এই ঘটনায় একমাত্র অভিযুক্ত নিহত ব্যক্তির মামাতো ভাই সম্রাট খানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার সম্রাট খান একই এলাকার ইলিয়াস হোসেনের ছেলে।
দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজলিমুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ব্যক্তির স্ত্রী আরিফা জাহানের দায়ের করা মামলা সূত্রে জানা গেছে, ১৭ এপ্রিল সকালে সম্রাট খান তাঁর মা ও বোনকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরে তাঁরা পাশের খালার বাড়িতে আশ্রয় নেন এবং বিষয়টি নাজমুল হোসেনকে জানান। ওই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে নাজমুল পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে সম্রাটের বাড়িতে যান। ঘরে থাকা সম্রাট খান দরজা খুলে হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়ে নাজমুল হোসেনের মাথায় আঘাত করেন। পরে আরও কয়েকটি আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন।
মামলায় আরও বলা হয়, স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারী পালিয়ে যান। পরে আহত অবস্থায় নাজমুল হোসেনকে প্রথমে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ এপ্রিল দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজলিমুর রহমান বলেন, এই ঘটনায় নিহত ব্যক্তির স্ত্রী সম্রাট খানকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের পর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।