ভোলায় গুলিতে নিহত ভোলা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. নূরে আলমকে স্মরণ করলেন জেলা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। আজ সোমবার ছিল নূরে আলমের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী। এই উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করেছে জেলা ছাত্রদল।
আজ দুপুরে ভোলা পাসপোর্ট অফিস-সংলগ্ন বায়তুল আজিজ জামে মসজিদের পাশে কবর জিয়ারত, দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করেন ভোলা জেলা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। তাঁরা কালো ব্যাজ ধারণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন।
এ সময় ভোলা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রাইসুল আলম ও যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ ট্রুম্যান; জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মাসুদ, সদস্যসচিব মুনতাসীর আলম চৌধুরী রবিন ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াকুব শাহ জুয়েল; ভোলা সদর উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মো. বিল্লাল হোসেন; জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল রাসেল; সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ রুবেলসহ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
দোয়া মাহফিল শেষে নেতারা বলেন, নূরে আলম দীর্ঘদিন স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের একজন সাহসী ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। তাঁরা অভিযোগ করেন, ২০২২ সালে পুলিশের গুলিতে নূরে আলম নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। দ্রুত মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের দাবি জানান তাঁরা।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৩ আগস্ট জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালনকালে ভোলায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নূরে আলম গুলিবিদ্ধ হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নূরে আলমের পরিবারে স্ত্রী ও আট বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রয়েছে।