ঈদুল আজহার ছুটি শেষে কর্মস্থল ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। আগামীকাল সোমবার (১ জুন) অফিস ধরার তাড়া অনেকের। তাই আজ রোববার বরিশাল নৌবন্দরে কর্মচঞ্চলতাও ছিল বেশ। নৌবন্দরে নোঙর করা ছিল আটটি বড় লঞ্চ। রাত নামতেই বাড়তে থাকে যাত্রীর চাপ। কেবিনের টিকিট কিংবা ডেকের স্থান দখলে ছোটাছুটি করেন যাত্রীরা। যাত্রীর চাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বন্দরে নৌ প্রতিমন্ত্রী আসছেন—এমন খবরে ব্যস্ত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা।
বরিশাল নৌবন্দরে আজ এমভি প্রিন্স আওলাদ-১০; পারাবত ১৫, ১১ ও ১২; এম খান; মানামী; সুন্দরবন-১৬ এবং শুভরাজ-৯ লঞ্চে যাত্রীর ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ডেকের যাত্রীও ছিল বেশ।
সদর উপজেলার চরমোনাই থেকে আসা গাজী রোজ হোসেন নামের এক যাত্রী বলেন, ‘অফিস ধরতে এক দিন আগেই ঢাকা যাচ্ছি। এবার ঝক্কি-ঝামেলা কম।’ ঢাকার বাসিন্দা সোনিয়া আক্তার ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে বরিশালে বাবার বাড়িতে এসেছিলেন। ঈদ শেষে রাজধানীতে যাচ্ছেন। শিক্ষক সোনিয়া জানান, ঈদে অনেক ভিড় থাকে লঞ্চে। সেই চিরচেনা ভিড় ঠেলে সুন্দরবন-১৬ লঞ্চে উঠেছেন তাঁরা।
লঞ্চের একাধিক স্টাফ জানান, সরকারি অফিস খুলবে ১ জুন। তাই আজ যাত্রীর ভিড় বেড়েছে। কেবিনের টিকিট আগেই বুকিং হয়েছে। ডেকেও যাত্রী অনেক।
এ ব্যাপারে বরিশাল নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক সোলায়মান হোসেন বলেন, ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে যাচ্ছেন মানুষ। অফিস ধরতে তাই আজ ভিড় বেশি। বন্দরে লঞ্চ আছে আটটি। শৃঙ্খলা রক্ষায় তাঁরা সতর্ক। ধারণক্ষমতা অপেক্ষা বাড়তি যাত্রী নিতে দিচ্ছেন না তাঁরা।