হোম > আড্ডা

উপেক্ষিত পাটশিল্প ও শ্রমিক

সম্পাদকীয়

অবকাঠামো খাতে যে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি হয়েছে, সেখানে তো শ্রমিকের বিষয় হ্যান্ডেল করতে হয়নি। কোনো ধরনের ঝামেলাও সেখানে পোহাতে হয়নি। আর শতভাগ অর্থই রিটার্ন পাওয়া গেছে। কিন্তু যেসব কারখানায় পিপিপি হয়েছে, সেগুলোর কোনোটাই ভালোভাবে চলার নজির নেই। এ ক্ষেত্রে সব জায়গাতেই ব্যর্থতা পরিলক্ষিত হয়েছে।

...১৯৯৭ সালে ১৪টি টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে বিদায় দেওয়ার পর উন্নতি ও আধুনিকায়নের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু পরিণতিটা কী হয়েছে? আমরা এখানে একটা বিকল্প প্রস্তাব রেখেছিলাম। কিন্তু আমাদের প্রস্তাবসংবলিত চিঠিটিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ২০১৯ সালে চীনের একটি প্রতিনিধিদল এসেছিল। তারা প্রস্তাব রেখেছিল যে পুরোনো মেশিন উঠিয়ে দিয়ে তাদের মেশিন স্থাপনের। তারা দাবি করেছিল যে নতুন মেশিনে এখনকার চেয়ে তিন গুণ বেশি উৎপাদন করা যাবে। আর খরচও অনেক কমানো যাবে। তারা বলেছিল, উৎপাদিত পণ্যের ৬০ শতাংশ চীনে নেওয়া হবে আর বাকি ৪০ শতাংশ এখানে ব্যবহৃত হবে এবং রপ্তানি করা যাবে। তারা সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে চেয়েছিল। কিন্তু আমলারা এটা পছন্দ করেনি। কেননা, চীনারা যদি এখানে দায়িত্বে আসে, তাহলে তাদের বাড়তি রোজগার বন্ধ হবে এবং অব্যবস্থাপনার বিষয়টি উন্মোচিত হবে। আমরা চাইতাম যে এখানে বাইরের কোনো কোম্পানি এলে শ্রমিকদের মজুরি মানসম্মত জায়গায় পৌঁছাতে পারবে। চীনাদের প্রস্তাবটা আমাদের কাছে খুবই গ্রহণযোগ্য ছিল। একটা তাঁত চালাতে পাঁচজন শ্রমিক লাগে। তারা ৩০০ দিন কাজ করলে ১৫ টন পণ্য উৎপাদন করতে পারে। আমরা বলেছিলাম ৬ হাজার তাঁত উঠিয়ে যদি ৩ হাজার তাঁত বসানো যায়, তাহলে এতে আগের চেয়ে অন্তত তিন গুণ বেশি উৎপাদন করা যাবে। শ্রমিককে ২৫ হাজার টাকা দিলেও প্রচুর মুনাফা থেকে যাবে। এ রকম মেশিনের জাদুর পরশ না নিয়ে আমরা এখন পিপিপির অলীক রাস্তায় হাঁটছি।

তথ্যসূত্র: অনিন্দ্য আরিফের নেওয়া শ্রমিক নেতা শহীদুল্লাহ চৌধুরীর সাক্ষাৎকার, ২০২০ সালের ১৭ জুলাই ‘দেশ রূপান্তর’-এ প্রকাশিত।

তাম্বুন গুহাচিত্র

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি

আদর্শের দ্বন্দ্ব

ইলোরার সৌন্দর্য

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী আগ্রাসন

আলতামিরার গুহাচিত্র

সিমোনের নারীবাদী ভাবনা

যেভাবে এল এপ্রিল ফুল: নেপথ্যের রহস্যময় ইতিহাস

পাকিস্তানিদের ষড়যন্ত্র

আবু ওসমান চৌধুরী