হোম > আড্ডা

উপন্যাস ও সাংবাদিকতা

সম্পাদকীয়

আমি বরাবরই নিজেকে বোঝাতে সমর্থ হয়েছি, আমার আসল পেশা হচ্ছে সাংবাদিকতা। সাংবাদিকতায় আমার যা পছন্দ হয়নি তা হচ্ছে চাকরির শর্তাবলি। তা ছাড়া, পত্রিকার স্বার্থের কথা বিবেচনা করে আমার চিন্তা ও পরিকল্পনাকে সাজাতে হতো। একবার ঔপন্যাসিক হিসেবে কাজ করার পর এবং ঔপন্যাসিক হিসেবে আর্থিক স্বাধীনতা অর্জনের পর আমি এখন আমার কাছে আকর্ষণীয় এবং আমার ভাবনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ বিষয় বেছে নিতে পারি। যেকোনোভাবেই হোক একটি মহত্তর সাংবাদিকতার সুযোগ পাওয়া আমি সব সময়ই উপভোগ করব।

...

আমি মনে করি, উপন্যাস লেখা এবং সাংবাদিকতা করতে গিয়ে দুটির মধ্যে একটুও পার্থক্য নেই। উভয়ের উৎস এক, রসদ এক, সম্পদ ও ভাষা এক। ড্যানিয়েল ডেফোর ‘দ্য জার্নাল অব দ্য প্লেগ ইয়ার’ একটি মহান উপন্যাস আর ‘হিরোশিমা’ সাংবাদিকতার একটি শ্রেষ্ঠ কাজ।

সাংবাদিকতায় একটি ঘটনা যদি মিথ্যে হয়, তাহলে তা পুরো কাজটিকে প্রভাবিত করবে। পক্ষান্তরে উপন্যাসের একটি একক ঘটনা যদি সত্যি হয়, তাহলে তা গোটা কাজটিকে বৈধতা প্রদান করবে। পার্থক্য সেখানেই, তা লেখকের প্রতিশ্রুতিতে নিহিত। যতক্ষণ মানুষকে বিশ্বাস করিয়ে যেতে পারেন একজন ঔপন্যাসিক, ততক্ষণ যা চান লিখে যেতে পারেন।

উপন্যাসই হোক কি সাংবাদিকতা, আগের মতো লিখে যাওয়া আমার জন্য খুব কষ্টকর। আমি যখন সংবাদপত্রে কাজ করতাম, যা লিখেছি তাতে প্রতিটি শব্দ নিয়ে তেমন সচেতন ছিলাম না, কিন্তু এখন সচেতন। আমি যখন বোগোটায় এল স্পেকতাদর পত্রিকায় কাজ করতাম, আমাকে সপ্তাহে অন্তত তিনটা বড় লেখা দিতে হতো। প্রতিদিন দু-তিনটে সম্পাদকীয় নোট, এ ছাড়া আমি চলচ্চিত্র-সমালোচনা লিখতাম। রাতে সবাই যখন চলে যেত, আমি রয়ে যেতাম আর উপন্যাস নিয়ে বসতাম। ছাপাখানার লাইনোটাইপ মেশিনের শব্দ আমার ভালো লাগত, বৃষ্টির শব্দের মতো মনে হতো। মেশিন থেমে গেলে আমি নৈঃশব্দ্যের মধ্যে পড়ে থাকতাম, আমি আর কাজ করতে পারতাম না। ...

তথ্যসূত্র: গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের সাক্ষাৎকার, আন্দালিব রাশদী কর্তৃক অনূদিত; ‘কালি ও কলম’ পত্রিকা, জুন ২০১৪

তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কেন জরুরি

উপেক্ষিত পাটশিল্প ও শ্রমিক

তাম্বুন গুহাচিত্র

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি

আদর্শের দ্বন্দ্ব

ইলোরার সৌন্দর্য

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী আগ্রাসন

আলতামিরার গুহাচিত্র

সিমোনের নারীবাদী ভাবনা

যেভাবে এল এপ্রিল ফুল: নেপথ্যের রহস্যময় ইতিহাস