হোম > খেলা > টেনিস

আর্থিক সহায়তা নিয়ে আইসিসির কড়া সমালোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার

ক্রীড়া ডেস্ক    

ভারতকে বেশ চাপেই ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত

আইসিসির কাছ থেকে সহযোগী দেশগুলোর পর্যাপ্ত সুবিধা না পাওয়ার অভিযোগ নতুন কিছু নয়। সবশেষ এই ইস্যুতে আওয়াজ তুললেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার শায়ন জাহাঙ্গীর। তাঁর দাবি, ভালো খেললেও আইসিসির কাছ থেকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা ও সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে না সহযোগী দেশগুলো।

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় চমক উপহার দিয়েছে জিম্বাবুয়ে। আজ দিনের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারিয়েছে সিকান্দার রাজার দল। জিততে না পারলেও দলগত পারফরম্যান্সে চমকে দিয়েছে নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র, নেপালের মতো দলগুলো। উদ্বোধনী ম্যাচে পাকিস্তানকে প্রায় হারিয়েই দিয়েছিল ডাচরা। নেপালের কাছে হারতে হারতে শেষ পর্যন্ত ৫ রানে জিতেছে ইংল্যান্ড। ভারতকে চাপে ফেলে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সব মিলিয়ে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যেন স্বস্তিতে নেই বড় দলগুলো। তাই এসব দল এখন আর ‘সহযোগী’ পরিচয়ে সীমাবদ্ধ নেই বলেই মনে করেন শায়ন।

সংবাদ সম্মেলনে শায়ন বলেন, ‘আইসিসি থেকে আমরা যে সুযোগ ও অর্থায়ন পাই, তা একেবারেই অপর্যাপ্ত। আমাদের সহযোগী দেশের তকমা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু আমরা কোনো অংশেই দুর্বল দল নই। এই বিশ্বকাপে আপনারা দেখেছেন—যেসব দলকে সহযোগী দেশ বলা হয়, তারা সবাই দারুণ খেলেছে এবং বড় দলগুলোকে ভীষণ চাপে ফেলেছে।’

আইসিসির এমন দ্বিচারিতা ক্রিকেটকে বৈশ্বিক খেলায় রূপ দেওয়ার পথে বড় বাধায় বলে মনে করেন শায়ান, ‘আমাদের ঠিকভাবে যত্ন নেওয়া হয়নি, আমাদের সেভাবে গড়ে তোলা হয়নি। তবু আমাদের খেলোয়াড়রাই কঠোর পরিশ্রম করে এই পর্যায়ে পৌঁছেছে। পর্যাপ্ত অর্থ ও অবকাঠামো ছাড়া আমরা যা করছি তা সত্যিই বড় ব্যাপার। যদি আইসিসি আমাদের এবং সব সহযোগী দেশগুলোর দিকে আরও মনোযোগ দেয়, তাহলে আরও বড় ম্যাচ দেখা যাবে এবং এই দলগুলো আর ‘সহযোগী দেশ’ নয়। বরং বড় দলের মর্যাদায় পৌঁছে যাবে।’

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিশন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। সে ম্যাচে সূর্যকুমার যাদবের দলকে চাপে ফেলে দিয়েছিল তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২৯ রানে হেরে যায়। সে ম্যাচের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে শায়ান বলেন, ‘আমরা প্রায় ভারতকে হারিয়েই ফেলেছিলাম—ওদের স্কোর ছিল ৬ উইকেটে ৭৫ রান। আবারও সূর্য (কুমার যাদব) যেভাবে খেলেছে, সেটাই পার্থক্য গড়ে দেয়। আমরা যদি কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো কাজে লাগাতে পারতাম, তাহলে বিশ্বকাপের শক্তিশালী দল ভারতকেও হারাতে পারতাম।’

সব কিছু বিবেচনা করে আইসিসিকে বর্তমান অবস্থান থেকে বের হয়ে আসার পরামর্শ দিলেন শায়ান। তিনি বলেন, ‘প্রস্তুতি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ, আর এর সঙ্গে অর্থায়নের বিষয়টাও গভীরভাবে জড়িত। আমাদের কাছে এত টাকা নেই যে বড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করব বা বড় মাঠে নিয়মিত ম্যাচ খেলতে পারব। যদি আইসিসি থেকে সেই অর্থায়ন পাওয়া যেত—এটা আমার ব্যক্তিগত অনুরোধ—তাহলে সত্যি বলছি, অ্যাসোসিয়েট ক্রিকেটে অসাধারণ প্রতিভার কোনো অভাব নেই।’

লাহোরে আইসিসি-পিসিবির বৈঠকে কী পেতে পারে বাংলাদেশ

২৫তম শিরোপা কি অধরাই থাকবে জোকোভিচের

জোকোভিচকে হারিয়ে আলকারাসের ইতিহাস

জোকোভিচ নাকি আলকারাস, ফাইনালে স্বপ্নপূরণ হবে কার

সাবালেঙ্কাকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের নতুন রানি রিবাকিনা

৩ বছর পর ফের ফাইনালে সাবালেঙ্কা-রিবাকিনা

টিটি ফেডারেশন কাপে চ্যাম্পিয়ন হৃদয় ও খই খই

আইটিএফ জুনিয়র টেনিসে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের জারিফ

ইউএস ওপেনের ফাইনাল দেখতে গিয়ে তোপের মুখে ট্রাম্প

চ্যাম্পিয়ন হয়ে আলকারাজের প্রতিশোধ, কী বলছেন তিনি