হোম > খেলা > ফুটবল

১০০ মিনিটে লিভারপুলকে জেতানো কে এই বিস্ময় বালক

ক্রীড়া ডেস্ক    

জয়সূচক গোলের পর রিও এনগুমোহার উচ্ছ্বাস। ছবি: রয়টার্স

ডামি করে বলটা ছেড়ে দিলেন দমিনিক সবোসলাই। তাঁর পেছনে থাকা সতীর্থকে যে আটকানোর কেউ নেই, সেটা তিনি জানতেন। আর জানতেন বলেই লিভারপুল মাঠ ছাড়ে ৩-২ গোলের নাটকীয় এক জয় নিয়ে। ফুটবল বিশ্ব পায় ১৬ বছর বয়সী বিস্ময় বালক রিও এনগুমোহার আগমনী বার্তা।

সোমবার রাতে সেন্ট জেমস পার্কে যা হলো তা কোনো থ্রিলার সিনেমার চেয়ে কম কিছু নেই। ঘরের মাঠে স্বাগতিক দলের দাপট থাকাটা স্বাভাবিক। প্রথম আধঘণ্টায় লিভারপুলকে ঠিকই চেপে ধরে নিউক্যাসল। কিন্তু বিরতির আগে বদলে যায় দৃশ্যপট। ৩৫ মিনিটে রায়ান গ্রাভেনবার্কের গোলে প্রথমার্ধ শেষ করে অলরেডরা। অ্যান্থনি গর্ডন যোগকরা সময়ে লাল কার্ড দেখলে নিউক্যাসল পরিণত হয় ১০ জনের দলের।

বিরতির পর প্রথম মিনিটে হুগো একিতিকের গোলের পর লিভারপুলের জয় যেন অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু একজন কম নিয়েও নিউক্যাসল হারার আগে হার মানেনি। লড়াকু মানসিকতায় ম্যাচেও ফিরে আসে দারুণভাবে। ৫৭ মিনিটে ব্রুনো গিমারেস ও ৮৮ মিনিটে উইলিয়াম ওসুলার গোল করে সমতা আনলে জমে ওঠে খেলা।

কিন্তু নাটকের ক্লাইমেক্স যেন জমা ছিল এনগুমোহার জন্য। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে তাঁকে বদলি হিসেবে মাঠে নামান লিভারপুল কোচ আর্নে স্লট। ৪ মিনিটের মধ্যেই বাজিমাত করলেন  ১৬ বছর ৩৬১ দিন বয়সী এই ফরোয়ার্ড।

যোগ করা সময়ের ১০ মিনিট মিলিয়ে ম্যাচের বয়স তখন ১০০ মিনিট। মোহামেদ সালাহ পাস বাড়ান বক্সের ভেতর। সবোসলাই সেটা না ছুঁয়েই ছোঁয়ার ভাব করলেন। বল তাই চলে যায় ফাঁকায় থাকা এনগুমোহার কাছে। দ্রুত দৌড়ে গিয়ে বাঁকানো শটের এক গোলে লিভারপুলকে উচ্ছ্বাসে ভাসান এই ফরোয়ার্ড। নতুন করে লিখেন ইতিহাস। লিভারপুলে তিনিই এখন সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা। আর প্রিমিয়ার লিগে চতুর্থ সর্বকনিষ্ঠ। ২০০২ সালে প্রিমিয়ার লিগে আর্সেনালের বিপক্ষে এভারটনের হয়ে জয়সূচক গোল করে আলোড়ন ফেলে দেওয়া ১৬ বছর বয়সী ওয়েইন রুনি। ২৩ বছর পর সেই স্মৃতি ফেরালেন এনগুমোয়া। তাও আবার প্রিমিয়ার লিগ অভিষেকে।

গত জানুয়ারিতে এফএ কাপে অ্যাক্রিংটন স্ট্যানলির বিপক্ষে লিভারপুলের জার্সিতে অভিষেক হয় এনগুমোহার। তখন আরও একটি ইতিহাস লেখেন অলরেডদের সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে। ইংল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-১৭ দলে খেলা এই ফরোয়ার্ডের বেড়ে ওঠা অবশ্য চেলসির একাডেমিতে। ২০২৪ সালে যোগ দেন লিভারপুলে। জুলাইয়ে প্রাক মৌসুম সফরে তাঁকে দলে রাখেন স্লট। ৪ ম্যাচে ২ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট করে তাক লাগিয়ে দেন তিনি। গতকাল ম্যাচের পর তাঁর প্রশংসায় লিভারপুল অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক বলেছেন, ‘তার জন্য এটা স্বপ্নের অভিষেক। টেকনিক ছিল নিখুঁত। শেষ দিকে আমরা শান্ত ছিলাম এবং চেষ্টা করেছি সঠিক সমাধান খুঁজে গোল করার। আমরা সেটা করতে পেরেছি। এনগুমোহাকে নিয়ে আমি খুবই খুশি।’

সাবিনার জোড়া গোলে ভারতকে হারাল বাংলাদেশ

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে এক মাসে ৫০ কোটির বেশি টিকিটের আবেদন

সালাহকে কাঁদিয়ে ফাইনালে মানের সেনেগাল

শমিতকে ছেড়েই দিল তাঁর ক্লাব

এক ম্যাচ হাতে রেখেই চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে যাত্রাবাড়ী

৮ গোলের থ্রিলারে ভারতকে রুখে দিল বাংলাদেশ

প্রথমবার বাংলাদেশে এসেই মুগ্ধ ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার

ফাইনালের লড়াইয়ে সালাহ-মানে, দিয়াজ-ওসিমেন

চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে কত টাকা পেল পিএসজি

ব্রাজিলের হাতে বিশ্বকাপ দেখতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক, যদি...